Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে (Gyanesh Kumar)। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি এবং এসআইআর-এর বিরুদ্ধে দেশব্যাপী লাগাতার আন্দোলনের ঘোষণা করল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। বৃহস্পতিবার দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে জানান, আগামী ২৩ অক্টোবর থেকে এই আন্দোলন শুরু হবে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা, ভোটার তালিকা সংশোধনের পদ্ধতি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে বিরোধীদের একাংশের অভিযোগের মধ্যেই এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
অভিজিৎ দীপকের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে আইনি ও প্রশাসনিক সুরক্ষা দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর সরকারি ক্ষমতা এবং রাজ্য পরিকাঠামোকে কাজে লাগাচ্ছেন। পাশাপাশি, প্রতিবাদ-বিক্ষোভের সময় পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগগুলির সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
রাহুল গান্ধীকে ‘অরাজকতার প্রতিমূর্তি’ বলে আক্রমণ বিজেপির
অন্যদিকে, এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের প্রতিবাদ এবং রাহুল গান্ধীর ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র সৌরভ ভাটিয়া লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে ‘অরাজকতার প্রতিমূর্তি’ বলে কটাক্ষ করেন। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী কোনও তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই বিভিন্ন অভিযোগ করেন এবং দায়িত্বশীল বিরোধী দলনেতা হিসেবে নিজের কর্তব্য পালন করছেন না।
ভাটিয়া কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সংবিধান অবমাননার অভিযোগও তুলেছেন। পাশাপাশি, মহিলাদের প্রতি অশোভন আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি কংগ্রেসকে নিশানা করেন। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে তিনি কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি বলে প্রকাশিত বক্তব্যে উল্লেখ রয়েছে। ফলে রাজনৈতিক চাপানউতোরের পাশাপাশি অভিযোগগুলির প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
সুপ্রিম কোর্টের নোটিশে বাড়ল রাজনৈতিক গুরুত্ব (Gyanesh Kumar)
এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের একটি পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধী-সহ ‘ইন্ডিয়া’ জোটের ১২ জন নেতার দায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন এবং তিন নির্বাচন কমিশনারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। আবেদনে ভোটার তালিকায় কথিত অনিয়মের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তবে আদালতে নোটিশ জারি হওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া নয়। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ।

আদালত চত্বরে বিক্ষোভ নিয়েও সতর্ক সুপ্রিম কোর্ট
অন্য একটি মামলায়, আদালত চত্বরের কাছাকাছি প্রতিবাদ ও মিছিল নিয়ন্ত্রণে নির্দিষ্ট কাঠামো তৈরির আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট নোটিশ জারি করেছে। ১২ অক্টোবর বিরোধী নেতাদের মিছিলের প্রসঙ্গে শুনানির সময় বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেন, কেউ আদালতকে ভয় দেখাতে পারে না।



