Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গাপুজোর মণ্ডপে (Chorbagan Incident) পদপিষ্ট হয়ে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনায় ক্রমশ সামনে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। দুর্ঘটনার কয়েক মিনিট আগেই মণ্ডপের বিপজ্জনক পরিস্থিতি নিয়ে মাইকে সতর্ক করা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর।
আহত ২৫ (Chorbagan Incident)
কিন্তু সেই ঘোষণা সত্ত্বেও ভয়াবহ বিপর্যয় (Chorbagan Incident) এড়ানো সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।
পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল (Chorbagan Incident)
সপ্তমীর সকাল থেকেই কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় বৃষ্টি চলছিল। সন্ধ্যার দিকে ফের বৃষ্টি শুরু হলে চোরবাগানের মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে থাকে। সূত্রের দাবি, বৃষ্টির কারণে মণ্ডপের ভিতরে ঢোকা বহু মানুষ আটকে পড়েছিলেন। সেই সময় বাইরে থেকে আরও দর্শনার্থী প্রবেশ করতে থাকায় পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন: Chorbagan Stampede Arrest: চোরবাগানের ঘটনায় গ্রেফতার ৭
জানা গিয়েছে, মণ্ডপে সতর্কবার্তা দিয়ে দর্শনার্থীদের দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছিল। প্যান্ডেলের অবস্থা ভালো নয় এবং সেটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও মাইকে ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দাবি। তবে এই সতর্কবার্তার পর ঠিক কী ঘটেছিল, তা তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, মণ্ডপের ভিতরে একটি বৃত্তাকার উঁচু করিডোর রয়েছে, যেখান দিয়ে ঘুরে দর্শনার্থীদের বেরিয়ে আসতে হয়। প্রাথমিকভাবে ওই অংশেই হুড়োহুড়ির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মৃতদের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া শেষে দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। পুজোর আনন্দের মধ্যে এমন প্রাণঘাতী ঘটনায় শোকস্তব্ধ কলকাতা। পাশাপাশি, ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।


