Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : আমেরিকার ফ্লোরিডায় জনবসতিপূর্ণ এলাকায় আচমকাই ভেঙে পড়ল একটি বিমান (Florida Plane Crash)। রবিবার দুপুরের এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৯ জনের। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আকাশ থেকে কার্যত ক্ষেপণাস্ত্রের গতিতে মাটির দিকে নেমে আসে বিমানটি। মুহূর্তের মধ্যে বিকট বিস্ফোরণ এবং কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। দুর্ঘটনার অভিঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আশপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িও।

৮ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে আচমকাই পতন (Florida Plane Crash)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাম বিচ কাউন্টির ক্রিসহ্যাভেন এলাকায় দুপুর ১টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। লিয়ারজেট ৬০ মডেলের বিমানটি টেক্সাসের অস্টিন-বার্গস্ট্রম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাহামার নর্থ এলিউথেরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাচ্ছিল। আচমকাই প্রায় ৮ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে বিমানটি দ্রুত নীচে নামতে শুরু করে। মাটিতে আছড়ে পড়ার আগে গাছে ধাক্কা লাগে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এরপর বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে বিমানটি মূল সড়কের কাছে আছড়ে পড়ে।
বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল এলাকা (Florida Plane Crash)
বিমানটি মাটিতে পড়তেই ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। রাস্তার উপর তৈরি হয় বড় গর্ত। মুহূর্তে চারপাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। পথচলতি গাড়ির ক্যামেরায় ধরা পড়ে দুর্ঘটনার ভয়াবহ দৃশ্য। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। দুর্ঘটনার অভিঘাতে আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
দুর্ঘটনার নেপথ্যে কি খারাপ আবহাওয়া? (Florida Plane Crash)
দুর্ঘটনার সময় এলাকায় আবহাওয়া ছিল প্রতিকূল। আকাশ ছিল মেঘলা, চলছিল বৃষ্টি ও বজ্রপাত। ঘণ্টায় প্রায় ১৫ থেকে ২৫ মাইল বেগে বাতাসও বইছিল। প্রাথমিকভাবে খারাপ আবহাওয়াকে দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে মনে করা হলেও এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু বলা হয়নি। প্রকৃত কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।
আরও পড়ুন: Sealdah: ভাইরাল রাজুদার পকেট পরোটায় এবার প্রশাসনের নজর
রাস্তা বন্ধ, তদন্তে একাধিক মার্কিন সংস্থা
দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে মিলিটারি ট্রেইলের সমস্ত লেন বন্ধ করে দেয় পুলিশ। যানবাহনকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এবং ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড। বিমানটি কেন আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারাল, যান্ত্রিক কোনও ত্রুটি ছিল কি না, নাকি আবহাওয়ার কারণেই বিপদ—সবদিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। একইসঙ্গে দুর্ঘটনার পরবর্তী পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে মার্কিন পরিবহন দপ্তর।



