Last Updated on [modified_date_only] by Anustup Roy Barman
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুদানের সেনাবাহিনী খার্তুমের রাষ্ট্রপতি প্রাসাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে (Army Take Over), যা র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এর সঙ্গে তাদের সংঘাতের একটি বড় পরিবর্তন।
সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিলো সেনাবাহিনী (Army Take Over)
শুক্রবার সুদানের সেনাবাহিনী খার্তুমের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় (Army Take Over)। সুদান রাষ্ট্রীয় টিভি ও সেনাবাহিনীর সূত্র তুলে ধরে এই তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
বিদ্রোহীদের খুঁজতে সেনাবাহিনীর অভিযান (Army Take Over)
সেনাবাহিনী প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের আশপাশের এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল (Army Take Over)। তাদের লক্ষ্য ছিল প্যারামিলিটারি র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (RSF)-এর সদস্যদের খুঁজে বের করা। কিছুক্ষণ পরেই, খার্তুমের কেন্দ্রীয় কিছু এলাকায় গুলির শব্দ শোনা যায়।
দুই বছরের সংঘর্ষে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি
প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের দখল সেনাবাহিনীর জন্য একটি বড় সাফল্য। গত দুই বছর ধরে চলা এই সংঘর্ষ সুদানকে ভেঙে ফেলার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। জাতিসংঘের মতে, এটি বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট। যুদ্ধের ফলে অনেক এলাকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে এবং দেশজুড়ে নানা রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উঠেছে। RSF-কে গণহত্যার অভিযোগেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। তবে দুই পক্ষই এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
আরও পড়ুন: Drowning Dog In Airport: বোর্ডিং হয়নি, এয়ারপোর্টেই পোষ্যকে ডুবিয়ে হত্যা মালিকের
সেনাবাহিনীর প্রতিরোধ ও পাল্টা অভিযান
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে যুদ্ধ শুরুর সময় RSF দ্রুত প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ও রাজধানী খার্তুমের বেশিরভাগ এলাকা দখল করেছিল। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সুদানের সেনাবাহিনী পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে।
RSF-এর নিয়ন্ত্রণে এখনও পশ্চিম সুদান
RSF এখনো রাজধানী খার্তুমের কিছু অংশ, পাশের শহর ওমদুরমান ও পশ্চিম সুদানের বেশ কিছু এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা দারফুরের আল-ফাশিরে সেনাবাহিনীর শেষ ঘাঁটি দখলের জন্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: EU Meeting: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২০টি দেশের বৈঠক! ইউক্রেনে সেনা পাঠাবে ইউরোপ?
সংঘর্ষ থামার কোনো লক্ষণ নেই
খার্তুমের সম্পূর্ণ দখল সেনাবাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সাফল্য। এটি মধ্য সুদানে তাদের শক্তি আরও বাড়িয়ে দেবে এবং দেশকে পূর্ব-পশ্চিমে বিভক্ত করার সম্ভাবনা আরও বাড়াবে। তবে উভয় পক্ষই সুদানের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।


