Last Updated on [modified_date_only] by
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: মুর্শিদাবাদে অশান্তির (CV Ananda Bose) জেরে বাড়ি ছেড়ে অনেকেই পাশের জেলা মালদহে আশ্রয় নিয়েছেন। ঘরছাড়াদের একাংশ আশ্রয় নিয়েছেন বৈষ্ণবনগরের পারলালপুর হাই স্কুলে। সেই ক্যাম্প চত্বর সকাল থেকেই কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল। শুক্রবার দুপুরে সেই আশ্রয়শিবিরে গিয়েছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যেরা। তাঁরা আশ্রয়শিবির ছাড়তেই দফায় দফায় উত্তেজনা তৈরি হয় বৈষ্ণবনগরে। সন্ধ্যায় সেই শিবিরে রাজ্যপাল পৌঁছোতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
বিক্ষোভকারীদের শর্ত মেনে নেয় (CV Ananda Bose)
বিকেলে মালদহের সার্কিট হাউসে পৌঁছোন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। সেখানে কিছু ক্ষণ থেকে তিনি যান বৈষ্ণবনগরের ত্রাণ শিবিরে। তিনি শিবিরের ভিতরে ঢোকার পর বাইরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়েরা। তাঁদের দাবি, ঘরছাড়াদের সঙ্গে রাজ্যপাল কী কথা বলছেন, তা দেখাতে হবে সংবাদমাধ্যমে। কিন্তু পুলিশ প্রথমে সেই দাবি মানতে নারাজ ছিল। তবে শেষপর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের শর্ত মেনে নেয় তারা। রাজ্যপালের নিরাপত্তার জন্য তৈরি করা অস্থায়ী ব্যারিকেডও তুলে নেওয়া হয়।
কড়া পুলিশি প্রহরায় রাখা হয়েছে (CV Ananda Bose)
যাঁরা বিক্ষোভরত, তাঁরা জানতে চান, যে ঘরছাড়াদের সঙ্গে রাজ্যপালের ঠিক কী করা হয়েছে। কী কী আশ্বাস তিনি দিয়েছেন ঘরছাড়াদের, তা জানতে চান তাঁরা। স্থানীয়দের দাবি, ঘরছাড়াদের ক্যাম্পের মধ্যে কড়া পুলিশি প্রহরায় রাখা হয়েছে। গ্রামবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এদিকে, শুক্রবার, রাজ্যপাল তাঁদের কী আশ্বাস দিচ্ছেন, চা জানতেই তাঁরা আশ্রয় শিবিরে ঢুকতে চাইছিলেন। কিন্তু তাতে বাধ সাধে পুলিশ (CV Ananda Bose)।
আরও পড়ুন: Murshidabad Unrest: রাজ্যপালের সফরের আগে উত্তপ্ত ধুলিয়ান, প্রশাসনিক তৎপরতা ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর!
উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল
রাজ্যপালের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন ঘরছাড়ারা। নিজেদের নানা সমস্যা, অভাব-অভিযোগ তাঁকে জানান তাঁরা। ঘরছাড়াদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যপাল। তিনি বলেন, ‘‘সমাজের একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায় এখানে আক্রান্ত হয়েছে। এক দল মারবে, আর এক দল আক্রান্ত হবে, এটা কখনও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হতে পারে না।’’ তাঁর কথায়, ‘‘এখানে যে অশান্তি হয়েছে, তা কোনও সুস্থ মানুষের পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আমি এখানে মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, বাচ্চাদের সঙ্গে কথা বলেছি, এখানে ভয়ের পরিস্থিতি বিরাজ করেছে। ভয়ের বাতাবরণের মধ্যে মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না।’’


