Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কথা বললেন, আর পরমুহূর্তেই (Social Anxiety) মনে হল-“না বললেই হতো!” চারপাশের মানুষজন কী ভাবছে, তাঁরা ভুল বুঝছে কি না এই চিন্তায় ঘুরপাক খাচ্ছেন? এ রকম পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন অনেকেই। আপনি একা নন। আসলে এটা একটি বিশেষ ধরনের মানসিক চাপ, যার নাম সামাজিক উদ্বেগ।
সাধারণ মানসিক সমস্যা! (Social Anxiety)
আজকের দ্রুতগামী, প্রতিযোগিতাপূর্ণ জীবনে অবসাদ (Social Anxiety) ও উদ্বেগ খুব সাধারণ মানসিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক উদ্বেগ এমন এক সমস্যা, যেখানে মানুষ সবসময় ভাবতে থাকেন-নিজের আচরণ, কথা, বা কাজ নিয়ে অন্যেরা নেতিবাচকভাবে বিচার করছে। এতে আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়, মনে হয়, নিজে কিছুই ঠিকঠাক করতে পারবেন না। ফলত, সামাজিক পরিস্থিতি বা কর্মক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে দৈনন্দিন কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে এই সমস্যাকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
আলাপচারিতার অভ্যাস (Social Anxiety)
সামাজিক উদ্বেগের ফলে অনেকেই সহকর্মী বা প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথাবার্তা (Social Anxiety) এড়িয়ে চলেন। তবে অল্পস্বল্প আড্ডা, কুশল বিনিময়, বা নৈমিত্তিক আলোচনায় অংশ নিলে ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। এটা সম্পর্ককেও সহজ করে তোলে।
প্রস্তুতি নিতে ভুলবেন না
প্রেজেন্টেশন, মিটিং, বা বক্তব্য রাখার আগে বাড়িতে আয়নার সামনে অনুশীলন করুন। কী বলতে হবে তা আগেভাগে লিখে নিন। এতে ঝুঁকি কমবে এবং চাপ অনুভব হবে না।
“লোকে কী বলবে?” ভাবা বন্ধ করুন
এই ভয় থেকেই উদ্বেগ বাড়ে। সবকিছুর আগে নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখা জরুরি। নিজের সামর্থ্যের প্রতি আস্থা রাখুন। বারবার নেতিবাচক ফল নিয়ে ভাবা নিজের উপর চাপ সৃষ্টি করা ছাড়া কিছু নয়।
সহায়তা চাওয়া দুর্বলতা নয়
যদি মনে হয়, একা সামলানো যাচ্ছে না, তবে সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলুন। যাঁরা আপনাকে সমর্থন করবেন, তেমন ইতিবাচক মানুষের সংস্পর্শে থাকুন। উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা যে কোনও উদ্বেগ জয় করতে সাহায্য করে।
আরও পড়ুন: RS 500 Notes: স্টার দেওয়া ৫০০-র নোট! জাল নয় তো?
শারীরিক অনুশীলন ও প্রাণায়াম
নিয়মিত প্রাণায়াম ও শরীরচর্চা মানসিক প্রশান্তি আনে। চাপ কমে, মন শান্ত থাকে, এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এই প্রতিবেদন সচেতনতামূলক। যদি সামাজিক উদ্বেগ আপনার দৈনন্দিন কাজকর্মে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, বা শারীরিকভাবে ক্লান্ত করে দেয়, তাহলে দেরি না করে মনোরোগ চিকিৎসক বা মনোবিদের সঙ্গে পরামর্শ নিন। নিজেকে সময় দিন, বোঝার সুযোগ দিন-আপনিও পারবেন।


