Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাতের জেরে যখন বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তখন ভারত এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে। হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা এবং আংশিক অবরোধের ফলে বিশ্বের বহু দেশে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম হু হু করে বাড়লেও ভারতে এখনও পর্যন্ত খুচরো জ্বালানির দামে কোনও বৃদ্ধি হয়নি(India Fuel)।
বিশ্বের জ্বালানিতে প্রভাব (India Fuel)
বিশ্ব জ্বালানি বাজারের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বে মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। এই রুটে বিঘ্ন তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন দেশের জ্বালানির দামে।
সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি মায়ানমারে
সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে মায়ানমারে। সেখানে পেট্রোলের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ এবং ডিজেলের দাম ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। আমেরিকায় জ্বালানির দাম বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। পাকিস্তান, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, জার্মানি এবং ব্রিটেনেও ৩০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশ শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ ও নেপালেও দ্বিগুণ অঙ্কের বৃদ্ধি দেখা গেছে।
নজর কেড়েছে ভারত
এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ হওয়া সত্ত্বেও ভারত সরকার ও রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন সংস্থাগুলি যৌথভাবে আন্তর্জাতিক দামের ধাক্কা সাধারণ মানুষের উপর পড়তে দেয়নি।
নীতির কারণেই এগিয়ে ভারত (India Fuel)
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের বহুমুখী তেল আমদানি নীতি, কৌশলগত তেল মজুত এবং কর কাঠামোর নমনীয়তাই এই স্থিতিশীলতার মূল কারণ। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা সরাসরি খুচরো দামে প্রতিফলিত না হওয়ায় সাময়িক সুরক্ষা মিলছে।
আরও পড়ুন: OP Sindoor Bharti: অপারেশন সিঁদুরে ১৩ যুদ্ধবিমান ধ্বংস, ১১ বিমানঘাঁটিতে আঘাত দাবি বায়ুসেনা কর্তার
ভাবিষ্যতে চাপ হতে পারে ভারতেরও (India Fuel)
তবে বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, যদি দীর্ঘ সময় ধরে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলারের উপরে থাকে এবং পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত আরও তীব্র হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ভারতের পক্ষেও এই চাপ সামলানো কঠিন হয়ে উঠতে পারে।



