Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: আপনি কি (Sciatica pain) এখনও পিছনের পকেটে মানিব্যাগ রাখেন? তাহলে সাবধান হোন এখনই! অধিকাংশ পুরুষের মধ্যে এই অভ্যাস দেখা যায়-ট্রাউজারের পিছনের পকেটে মানিব্যাগ রেখে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা। শুনতে সাধারণ মনে হলেও, এই অভ্যাস আপনার শরীরের জন্য ডেকে আনতে পারে ভয়ঙ্কর বিপদ, বিশেষত মেরুদণ্ডের ক্ষেত্রে।
শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকে না (Sciatica pain)
পিছনের পকেটে মোটা মানিব্যাগ রেখে বসলে শরীরের ভারসাম্য ঠিক থাকে না (Sciatica pain) ফলে মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক ভঙ্গি বদলে গিয়ে হাড় একপাশে সরে যেতে পারে। এই বিকৃত ভঙ্গি থেকে জন্ম নেয় যন্ত্রণাদায়ক সায়াটিকা বা কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া স্নায়ুবেদনা।
কী এই সায়াটিকা? (Sciatica pain)
সায়াটিকা হল আমাদের শরীরের সবচেয়ে দীর্ঘ এবং মোটা স্নায়ু (Sciatica pain)। এটি মেরুদণ্ডের নিচের অংশ থেকে শুরু হয়ে, নিতম্ব হয়ে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। সায়াটিকা স্নায়ু যদি কোনও কারণে চাপে পড়ে বা আঘাত পায়, তখন কোমর থেকে শুরু হয়ে পুরো পিঠ বা পায়ের দিকে ছড়িয়ে পড়ে যন্ত্রণাদায়ক ব্যথা। কখনও কখনও ব্যথা এত তীব্র হয় যে, উঠে দাঁড়ানোও কষ্টকর হয়ে পড়ে। এই ব্যথাকে ‘লাম্বো-সায়াটিকা পেন’ বলা হয়, যদি এটি মেরুদণ্ডের লাম্বার অংশ থেকে শুরু হয়। এছাড়াও, মেরুদণ্ডের স্যাক্রাম অংশ থেকেও ব্যথার সূত্রপাত হতে পারে।
পিছনের পকেটে মানিব্যাগ রাখলে কী সমস্যা হয়?
- শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হয়
- বসার ভঙ্গি বিকৃত হয়
- স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে
- মেরুদণ্ডের হাড় সরে যায়
- কোমর, নিতম্ব ও পায়ে ব্যথা হতে পারে
ডেস্কে দীর্ঘ সময় কাজ করা মানুষদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তাই যাঁরা অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন, তাঁদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকা দরকার।
আরও কিছু কারণ, যেগুলি সায়াটিকার জন্ম দিতে পারে-
- মেরুদণ্ডের ডিস্কে সমস্যা, যেমন ডিস্ক ফেটে মজ্জা বেরিয়ে আসা
- নার্ভের সংক্রমণ বা অসুখ
- মেরুদণ্ডে টিউমার
- কোমরের আঘাত বা ভাঙন
- বাত বা আর্থ্রাইটিস
- অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শরীরের ভারসাম্য পরিবর্তন
আরও পড়ুন: Russia China Navy Dril : জাপান সাগরে রাশিয়া-চিনের যৌথ ডুবোজাহাজবিরোধী মহড়া!
কী করবেন?
- পেছনের পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে ডেস্কে রাখুন
- সঠিক ভঙ্গিতে বসুন, এমন চেয়ারে বসুন যা পিঠকে সাপোর্ট দেয়
- ব্যথা দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
- সঠিক ব্যায়াম ও চিকিৎসায় এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব


