Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: আর জি করে দুর্নীতি মামলায় ফের সিবিআইয়ের নজরে তৃণমূল বিধায়ক সুদীপ্ত রায়।আর জি কর দুর্নীতি মামলায় ফের তৃণমূলের এক বিধায়কের বাড়িতে হাজির হল সিবিআই(R G Kar Scam Case)। শনিবার দুপুরে সিঁথির বাড়িতে পৌঁছন সিবিআই আধিকারিক, এই মামলার প্রধান তদন্তকারী অফিসার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরেকজন সিবিআই আধিকারিক।সূত্রের খবর, বিধায়ক সুদীপ্ত রায় বর্তমানে বাড়িতে ছিলেন না। তবে তিনি বাড়ি ফিরলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই(CBI) ও ইডি উভয় সংস্থা। তাঁকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।
আর জি কর দুর্নীতি কান্ড (R G Kar Scam Case)
গত বছর আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে(R G Kar Scam Case)। হাসপাতালের CCU ও জেনারেল বেড হাজার হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগে সরব হয়েছিল ছাত্র ইউনিয়ন। হাসপাতালের সেন্ট্রাল ল্যাব থেকেও বিপুল দুর্নীতি, কিট ও রিএজেন্ট পাচারের মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে। ছাত্র ইউনিয়নের তরফে লেখা অভিযোগপত্রে সরাসরি কাঠগড়ায় তোলা হয় তৃণমূল বিধায়ক সুদীপ্ত রায় এবং কর্মচারী ইউনিয়নের নেতা তথা প্যাথলজিস্ট জয়ন্ত ঘোষকে।
একধিক অভিযোগ উঠেছে (R G Kar Scam Case)
ছাত্র ইউনিয়নের দাবি ছিল, এই দুর্নীতি সুদীপ্ত রায় ও জয়ন্ত ঘোষের মদতেই চলছে(R G Kar Scam Case)। হাসপাতালের বেড বিক্রি থেকে ল্যাব সরঞ্জাম পাচার— সব ক্ষেত্রেই তাঁরা জড়িত। অভিযোগ জমা পড়তেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল।ইতিমধ্যেই এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়েছে। তবে সুদীপ্ত রায়ের বিরুদ্ধে একাধিক তথ্য উঠে আসায় ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে সিবিআই। সেই কারণেই এদিন তাঁর সিঁথির বাড়িতে হাজির হন সিবিআই আধিকারিকরা।

তদন্তের গতি (R G Kar Scam Case)
২০২৪ সালের আর জি করের ধর্ষণ–খুন কাণ্ড ঘিরে সংগঠিত দুর্নীতি, সিন্ডিকেট, ল্যাব রিএজেন্ট পাচার ও বেড–বিক্রির অভিযোগ নিয়ে আলাদা মামলায় তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই ও ইডি। আর্থিক লেনদেন ও মানি–লন্ডারিংয়ের সূত্র খতিয়ে দেখতে ইডি পৃথক কেস নথিভুক্ত করেছে। আগে আর জি করের প্রাক্তন কর্তাদের বাড়িতেও তল্লাশি হয়েছে।
প্রধান তদন্তকারী ও আদালতের নজর (R G Kar Scam Case)
মামলার নোডাল ইনভেস্টিগেটিং অফিসার সিবিআই–এর মণীশ উপাধ্যায় আদালতে একাধিকবার মামলার অগ্রগতি জানিয়েছেন(R G Kar Scam Case)। চলতি বছরের শুরুতে বিশেষ সিবিআই আদালত নথিপত্র দাখিল ও অনুমোদন সংক্রান্ত বিষয়ে সংস্থাকে কড়া পর্যবেক্ষণ করে; এরপর রাজ্য সরকারের অনুমোদনপ্রাপ্তির কথা আদালতে জানায় সিবিআই। ফলে তদন্তের গতি বাড়ানোর নির্দেশও কার্যত স্পষ্ট হয়।
ছাত্র সংগঠনের অভিযোগ (R G Kar Scam Case)
আর জি কর–এর পর কলকাতা মেডিক্যাল কলেজেও CCU ও জেনারেল বেডে অনিয়ম, সেন্ট্রাল ল্যাবে কিট–রিএজেন্ট পাচার এবং ‘সিন্ডিকেট’ চক্রের অভিযোগ তোলে ছাত্র ইউনিয়ন(R G Kar Scam Case)। অভিযোগ ওঠে, হাসপাতালের বিভিন্ন কেনাকাটা ও বন্টনে প্রভাব খাটানো হতো। অভিযোগের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রশাসন। রাজনৈতিক মহলেও ইস্যুটি তপ্ত হয়ে ওঠে। (এই অংশে অভিযোগগুলি আদালতে বিচারাধীন; অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।)
বিধায়কের অবস্থান (R G Kar Scam Case)
ডা. সুদীপ্ত রায় আগেও প্রকাশ্যে বলেছেন, তিনি “দালালচক্র ও দুর্নীতির বিরোধী” এবং দায়িত্ব পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট অনিয়ম রুখতে পদক্ষেপ করেছেন। ইডি–সিবিআইয়ের ডাকে হাজিরা দিয়েও তিনি সহযোগিতা করছেন বলে দাবি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তাঁর বাড়িতে ইডি–র অভিযান ও নথি–তল্লাশির কথাও সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।


