Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) জরুরি বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লি পৌঁছেছেন(Samik JP Nadda Meeting)। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে তার এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
সাংগঠনিক পর্যালোচনা আলোচনায় (Samik JP Nadda Meeting)
শ্রমিক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের সাংগঠনিক পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হবে(Samik JP Nadda Meeting)। তিনি আশা করছেন, রাজ্যে বিরোধীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা মিলবে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বাংলায় বিজেপি সংগঠনকে আরও মজবুত করার কৌশলই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।
রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা (Samik JP Nadda Meeting)
রাজ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার পরিবেশ এবং মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিক ভট্টাচার্য। তার অভিযোগ, বিধানসভার ভেতরে সাংবিধানিক নিয়ম মানা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দল কীভাবে পাল্টা পদক্ষেপ নেবে, তা নিয়েও মতবিনিময় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নির্বাচনের আগে নতুন আন্দোলনের পরিকল্পনা
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপি ইতিমধ্যেই রাজ্যে নতুন আন্দোলনের প্রস্তুতি শুরু করেছে(Samik JP Nadda Meeting)। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বৈঠক থেকেই রাজ্যে আন্দোলনের নতুন রূপরেখা তৈরি হবে। নির্বাচনের আগে বিজেপি ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে চাইছে।

আরও পড়ুন : Indian Navy : সেশেলসে চার দিনের ভারতীয় নৌবাহিনীর ফার্স্ট ট্রেনিং সফর সম্পন্ন
শংকর ঘোষের সঙ্গে সফর(Samik JP Nadda Meeting)
রাজ্য সভাপতির সঙ্গে দিল্লি গেছেন(Samik JP Nadda Meeting) বিধানসভার বিজেপির মুখ্য সচেতন শংকর ঘোষ( BJP Cheif wipe Shankar Ghosh)। মঙ্গলবার তিনি বিধানসভায় আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ করেন। শংকর ঘোষের কথায়, ‘‘বিধানসভায় মারামারি হল, প্রধানমন্ত্রীকে চোর বলা হল, অথচ স্পিকার কিছুই শুনলেন না।’’ নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি মন্তব্য করেছেন, দলের রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন।
আরও পড়ুন : Maoist Killed : ছত্তীশগঢ়ের বস্তার ডিভিশনে মাওবাদী দমন অভিযানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই জরুরি বৈঠক কেবল সাংগঠনিক পর্যালোচনার জন্য নয়, বরং ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে বিজেপির নতুন কৌশল তৈরির মঞ্চও। বাংলার রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষিতে দিল্লির এই বৈঠক থেকে রাজ্য রাজনীতিতে বড় ঘোষণা আসতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।


