Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: এবছর কলকাতার অন্যতম (Santosh Mitra Square) জনপ্রিয় দুর্গাপুজো, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার সর্বজনীন দুর্গোৎসবের থিম ‘অপারেশন সিঁদুর’ ঘিরে উন্মাদনা চরমে। পুজোর আগেই জনতার ঢল, চতুর্থীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে এসে উদ্বোধন করে গিয়েছেন। অথচ এই পুজো ঘিরেই তৈরি হয়েছে এক বিতর্ক, যার কেন্দ্রে পুজো কমিটির শীর্ষ ব্যক্তি ও বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ।
একের পর এক চিঠি পাঠাচ্ছে পুলিশ (Santosh Mitra Square)
সজল ঘোষ-এর অভিযোগ, থিম ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক চিঠি (Santosh Mitra Square) পাঠাচ্ছে পুলিশ। মে মাস থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বরে পৌঁছনোর আগেই চার-চারবার মুচিপাড়া থানার তরফে পাঠানো হয়েছে চিঠি। আর সেইসব চিঠিতে রয়েছে একগুচ্ছ কড়া নির্দেশিকা-যার বাস্তবায়ন পুজো কমিটির পক্ষে যথেষ্ট চাপের।
চিঠিতে কী লেখা? (Santosh Mitra Square)
চিঠিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, মণ্ডপে ঢোকা ও বেরনোর রাস্তা হতে হবে (Santosh Mitra Square) প্রশস্ত এবং অবরুদ্ধ নয়। হকার বা স্টল বসবে না নির্দিষ্ট এলাকায়। লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো নিষিদ্ধ। সিসিটিভি বসাতে হবে অন্তত ৬০টি। নিরাপত্তার জন্য ২৫০ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েন করতে হবে। এমনকি ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া মোড় থেকে মণ্ডপ পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞাপনের গেট বা কাঠামোও রাখা যাবে না।

‘পুলিশি জুলুম’!
সজল ঘোষ এইসব নির্দেশিকাকে ‘পুলিশি জুলুম’ বলে ব্যাখ্যা করছেন। তাঁর দাবি, “যেখানে-সেখানে ব্যারিকেড দিয়ে মানুষকে প্যান্ডেলের কাছেই যেতে দিচ্ছে না পুলিশ। এখনও পুজো শুরুই হল না, এর মধ্যেই এত চাপ! এর পরেও কত চিঠি পাব, কে জানে!” তিনি আরও বলেন, “রাজনীতিবিদ হিসেবে আমি কাজ করি, কিন্তু পুজোর সময় রাজনীতিকে ছুটি দিই। কিন্তু রাজনীতি আমার পুজোকে ছুটি দিচ্ছে না। আমি জানি না, শেষপর্যন্ত পুজো চালাতে পারব কি না।”
আরও পড়ুন: bSharly Modak: অভিষেকের সাথে শার্লির বিশেষ প্ল্যান, পুজোয় যাচ্ছেন অনেক দূরে!
তবে পুলিশ প্রশাসন বিষয়টিকে একেবারেই অন্যভাবে দেখছে। তাদের বক্তব্য, “এটা নিরাপত্তার স্বার্থে। কোনও রকম দুর্ঘটনা এড়াতে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ব্যারিকেড, ভলান্টিয়ার, সিসিটিভি-সবই নিয়মমাফিক।”
আসলে, জনপ্রিয় থিম ও বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতির ফলে পুজোটিকে কেন্দ্র করে মানুষের আগ্রহ অনেক বেশি। আর সেই ভিড় সামলানো প্রশাসনের কাছে চ্যালেঞ্জ।


