Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৬ সালের ভোটের দামামা বেজে উঠতেই (SIR) রাজ্য রাজনীতি ফের সরগরম। মঙ্গলবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২টি রাজ্যে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া। মধ্যরাতেই ‘ভোটার লিস্ট’ ফ্রিজ করা হয়েছে। এই ব্যস্ত নির্বাচনী পরিবেশের মধ্যেই নতুন বিতর্কের কেন্দ্রে নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজিস্ট প্রশান্ত কিশোর (PK)।
দুই রাজ্যের ভোটার তালিকায় নাম (SIR)
সূত্র অনুযায়ী, প্রশান্ত কিশোরের নাম নাকি একসঙ্গে দুই রাজ্যের (SIR) ভোটার তালিকায় রয়েছে-একদিকে পশ্চিমবঙ্গে, অন্যদিকে তাঁর নিজের রাজ্য বিহারে। এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে নির্বাচন কমিশন। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় তিনি কলকাতার ১২১, কালীঘাট রোড ঠিকানায় ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত। এই ঠিকানাটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের অন্তর্গত। একই সঙ্গে বিহারের করহাগর বিধানসভা কেন্দ্রের তালিকাতেও রয়েছে তাঁর নাম।
নাম কাটানোর জন্য আবেদন করেছিলেন? (SIR)
উল্লেখ্য, প্রশান্ত কিশোর ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে (SIR) তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য ভোটকৌশল তৈরির দায়িত্বে ছিলেন। সেসময় থেকেই তাঁর কলকাতায় অবস্থান ছিল নিয়মিত। সেই সূত্রেই তিনি হয়তো রাজ্যের ভোটার তালিকায় নাম তুলেছিলেন বলে অনুমান। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে-যদি তিনি পরবর্তীতে কলকাতা ছেড়ে বিহারে ফিরে গিয়ে স্থায়ীভাবে বাস করতে শুরু করে থাকেন, তবে কি তিনি নাম কাটানোর জন্য আবেদন করেছিলেন?
সম্পূর্ণ বেআইনি ও নিয়মবিরুদ্ধ
এই প্রশ্নের উত্তর জানতে নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) কাছে রিপোর্ট চেয়েছে। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, একজন নাগরিকের একসঙ্গে দুই রাজ্যের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সম্পূর্ণ বেআইনি ও নিয়মবিরুদ্ধ। ভোটাধিকার সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার হলেও তা কেবলমাত্র একটি নির্দিষ্ট নির্বাচনী কেন্দ্রে প্রয়োগ করা যায়।

ইচ্ছাকৃতভাবে নাম দুটি রাখা হয়েছে?
সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গে প্রশান্ত কিশোরের নাম বাদ দেওয়ার জন্য আগে থেকেই একটি আবেদন জমা পড়েছিল। তবু তাঁর নাম এখনও তালিকায় কেন থেকে গেল, সেই নিয়েই কমিশনের কপালে চিন্তার ভাঁজ। এখন প্রশ্ন উঠছে-এটা কি প্রশাসনিক গাফিলতি, না কি ইচ্ছাকৃতভাবে নাম দুটি রাখা হয়েছে?
আরও পড়ুন: SIR: মঙ্গলবার থেকে চালু SIR, কারা নিশ্চিন্তে? কাদের লাগবে নথি?
নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। কমিশন জানতে চেয়েছে, নাম কাটার আবেদন করা হলেও তা কেন কার্যকর হয়নি এবং সেই নথি আদৌ জমা পড়েছিল কি না। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিহার নির্বাচন কমিশনকেও এ বিষয়ে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।


