Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ প্রক্রিয়া বা এসআইআর শুরু হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে (SIR)। কিন্তু এই প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে আদালতে। বিশেষত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন এই এসআইআর প্রয়োজন, সেই প্রশ্নেই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন পিন্টু কারার নামে এক ব্যক্তি।
জনস্বার্থ মামলা ও আদালতের নির্দেশ (SIR)
গত শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন পিন্টু কারার। মামলায় তিনি দাবি করেন এসআইআর প্রক্রিয়াটি যেন আদালতের নজরদারিতে সম্পন্ন হয়। ২০২২ সালের ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হোক। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে কেন বর্তমান প্রক্রিয়া চলছে, তার ব্যাখ্যা দেওয়া হোক। বৃহস্পতিবার ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের নেতৃত্বে ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে।
আদালতের পর্যবেক্ষণ (SIR)
শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী বিএলও দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, রাজ্যের নানা জায়গায় বিএলও–দের হুমকি ও আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটছে। এই প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট মন্তব্য করেন “সরকার জানে কীভাবে তার কর্মীদের নিরাপত্তা দিতে হয়। আদালতের আলাদা করে নির্দেশ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।” ফলে, বিএলও–দের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশেষ আবেদন আদালত খারিজ করে দেয়।
আরও পড়ুন: Narendra Modi: প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ হরমনপ্রীতদের, বিশেষ উপহার টিম ইন্ডিয়ার
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যুক্তি (SIR)
জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী জানান, বাংলায় শেষবার ২০০২ সালে এসআইআর হয়েছিল। সেই ভোটার তালিকায় যাদের নাম ছিল, তাদের নতুন করে কোনও নথি জমা দিতে হবে না। কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বিএলও–রা ইতিমধ্যেই বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং তথ্য সংগ্রহ করছেন। তিনি আরও জানান, কমিশন তার সংবিধানসিদ্ধ দায়িত্ব পালন করছে এবং প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছভাবে এগোচ্ছে।



