Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উন্নয়নের পাঁচালি প্রকাশের দিন কেন্দ্রের দিকে বারবার তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের প্রতি বঞ্চনার কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রের কাছে তাঁর অনুরোধ যা বলার সরাসরি রাজ্যকে বলুন এমন কিছু হুলিয়া জারি করবেন না যাতে বৃটিশ রাজের কথা মনে পড়ে যায়(Mamata)।
‘হুলিয়া জারি করবেন না’ Mamata)
সিএএ, এনআরসি নিয়ে এদিন কেন্দ্রকে তোপ দাগেন মমতা। তাঁর দাবি রাজ্যে জোর করে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেওয়া হবে না। সেই প্রসঙ্গেই চাপিয়ে দেওয়ার কথা বলে কেন্দ্রকে তোপ দাগেন মমতা। উন্নয়নের টাকা নিয়ে বঞ্চনার প্রসঙ্গও এদিন উঠে আসে মমতার মন্তব্যে।
‘কথা দিলে কথা রাখি’ Mamata)
মমতার দাবি, ২০১১ সালে দু’লক্ষ পরিবারের কাছে পানীয় জলের সংযোগ ছিল। গত ১৪ বছরে ৯৯ লক্ষ পরিবারকে আমরা পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দিয়েছি। তবে কেন্দ্র সরকার তাদের ভাগের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এখানে জমি-টাকা দিই আমরা, কিন্তু ওরা ওদের ভাগের টাকা দিচ্ছে না।’’ মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, আমরা কথা দিলে কথা রাখি। ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কথা বলেছিলাম, কাজ অনেকটা এগিয়েছে। গঙ্গাসাগর যাত্রীদের সুবিধার জন্য গঙ্গাসাগর সেতু তৈরি করছি। খরচ হবে ১,৭০০ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ Mamata)
মমতা বলেন, ‘‘গ্রামীণ বাড়ি এবং আবাসন প্রকল্পের অধীনে ৬৭ লক্ষ ৬৯ হাজার বাড়ি দেওয়া হয়ে গিয়েছে। সম্পূর্ণ রাজ্য সরকারের টাকায় আমরা পথশ্রী প্রকল্প করেছি। কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার পর থেকে এই প্রকল্পে আমাদের ১৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। আগে ওরা দিত অর্ধেক, আমরা দিতাম অর্ধেক। এটা আমাদের জিএসটি থেকে তুলে নিয়ে যেত। কেন্দ্র টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ার পরেও প্রায় ৬০ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। তার মধ্যে ৩৯ হাজার কিলোমিটার রাস্তা তৈরি হয়ে গিয়েছে। বাকি কাজ হচ্ছে। পুরোটাই আমরা নিজেদের থেকে তৈরি করে দিচ্ছি।’’
আরও পড়ুন: Bogtui: বগটুই গণহত্যা মামলা: রামপুরহাট থেকে মামলা সরানোর দাবিতে হাইকোর্টে সিবিআই
‘আশা করব টাকা দেবেন’ Mamata)
মমতার দাবি, ‘‘বাংলা সড়ক যোজনায় ২০১১ সাল থেকে মোট এক লক্ষ ৩০ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ রাস্তা তৈরি করেছি। তাই তো কেন্দ্রীয় সরকার আমাদের টাকা বন্ধ করেছে। গ্রামীণ রাস্তা, আবাস যোজনা-সহ বিভিন্ন প্রকল্পে সারা দেশের মধ্যে পরপর চার বছর আমরা এক নম্বরে ছিলাম।’’ মমতার অভিযোগ, ‘‘আমরা কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে এখনও পর্যন্ত এক লক্ষ ৮৭ হাজার কোটি টাকার বেশি পাই। আমাদের টাকাটা দিচ্ছে না। আশা করব দেবেন। কিন্তু কবে আর দেবেন? নির্বাচন তো এসে যাচ্ছে। এর পরে ফেব্রুয়ারিতে দিয়ে মার্চে বলবেন খরচ হল না? চালাকিটা আমরাও বুঝি।’’



