Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লির বায়ুদূষণ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ ছড়াল (Delhi Pollution) একটি সাম্প্রতিক সমীক্ষার পর। সেই রিপোর্ট বলছে, যাঁরা কখনও সিগারেটের ধোঁয়া ছুঁয়েও দেখেননি, তাঁদের দেহে প্রতিদিন সিগারেটের মতোই ক্ষতি হচ্ছে-তা-ও আবার এক-দুটি নয়, প্রায় ১৪টি সিগারেটের সমান! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, রাজধানীর বাতাসে মিশে থাকা অতিসূক্ষ্ম দূষিত কণাই এই ভয়াবহ ক্ষতির কারণ।
দিল্লির দূষণ স্তর কেন এত ভয়াবহ? (Delhi Pollution)
বছরের পর বছর ধরে দিল্লির বায়ুদূষণ নিয়ে আলোচনা (Delhi Pollution) এবং মামলা চললেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। শীতের শুরুতেই রাজধানীর আকাশ ধোঁয়াশায় ঢেকে যায়। যানবাহনের ধোঁয়া, নির্মাণকাজের ধুলা, শিল্পাঞ্চলের দূষণ, বরাবরের মতোই বড় কারণ। তাতে যোগ হয়েছে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতে ফসল পোড়ানোর ধোঁয়া। সম্প্রতি প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তও আদালতে মন্তব্য করেছিলেন-দিল্লির বায়ুদূষণের কারণে বাইরে হাঁটতে গেলেই শ্বাসকষ্ট শুরু হচ্ছে।

সমীক্ষায় কী বেরিয়ে এল? (Delhi Pollution)
AQI.IN–এর তথ্য অনুযায়ী, দিল্লিতে পিএম ২.৫ কণা গত (Delhi Pollution) কয়েকদিন ধরে ৩০০ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার–এর কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছে। আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুযায়ী, মাত্র ২২ মাইক্রোগ্রাম পিএম ২.৫ মানেই শরীরে একটি সিগারেটের সমান ক্ষতি। সেই হিসাবে দিল্লির মানুষ প্রতিদিন প্রায় ১৩–১৪টি সিগারেটের সমান দূষণ শ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করছেন-তাঁরা ধূমপায়ী না হলেও।
অন্যান্য শহরের পরিস্থিতি কেমন?
অন্যান্য বড় শহরগুলিতেও দূষণ বাড়ছে ঠিকই, তবে দিল্লির মতো চরম নয়।
- মুম্বই
সমুদ্রের হাওয়ায় দূষণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে। পিএম ২.৫ রয়েছে ৮০–৯০ মাইক্রোগ্রাম/ঘনমিটার। অর্থাৎ দিনে ৪টি সিগারেটের সমান ক্ষতি। - বেঙ্গালুরু
তুলনামূলক ভাল। পিএম ২.৫ গড়ে ৫০ মাইক্রোগ্রাম। যা ২–৩টি সিগারেটের সমান। - চেন্নাই
চার শহরের মধ্যে সবচেয়ে কম দূষিত। পিএম ২.৫ প্রায় ৪০ মাইক্রোগ্রাম—অর্থাৎ ২টি সিগারেটের সমান ক্ষতি।

আরও পড়ুন: Smriti Mandhana Wedding Date: বিয়ে স্থগিত, জল্পনার ঝড়-আবার কি কাছাকাছি স্মৃতি-পলাশ?
প্রতিরোধ কোথায়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষণ কমাতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে-
- অপ্রয়োজনে গাড়ি ব্যবহার কমানো,
- সবুজায়ন বাড়ানো,
- ধুলে-মাটি নিয়ন্ত্রণ,
- আর প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে মাস্ক ব্যবহার করা-এই প্রাথমিক সতর্কতাই অনেকটা প্রভাব ফেলতে পারে।


