Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্মৃতি মন্ধানা ও পলাশ মুচ্ছলের ব্যক্তিগত জীবন ঘিরে (Smriti Mandhana Wedding Date) চলতি সপ্তাহে যে ওঠাপড়া দেখা গিয়েছে, তা যেন বাস্তবের চেয়ে সিনেমার গল্পকেই বেশি মনে করিয়েছে। গায়ে হলুদ হয়ে যাওয়ার পরেও আচমকা বিয়ে স্থগিত হওয়া, তার পর সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা অভিযোগ-সমগ্র ঘটনাপ্রবাহ ক্রিকেট মহলে প্রবল চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। তবে যতই গুঞ্জন বাড়ুক, সোমবার নতুন করে সামনে আসা তথ্য যেন ফের বদলে দিল পরিস্থিতির গতিপ্রকৃতি।
শুরু…(Smriti Mandhana Wedding Date)
শুরুটা ছিল ২৩ নভেম্বর (Smriti Mandhana Wedding Date)। ঠিক হয়েছিল, ওই দিনই সাত পাকে বাঁধা পড়বেন স্মৃতি ও গায়ক-সুরকার পলাশ। সেইমতো প্রস্তুতিও চলছিল জোরকদমে। কিন্তু বিয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে জানা যায়, স্মৃতির বাবা নাকি আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ফলে অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ পিছিয়ে দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না দু’পক্ষের পরিবারের। পাত্রপক্ষকে সাঙ্গলী পৌঁছে আবার ফিরে যেতে হয়।
পরিস্থিতি আরও জটিল (Smriti Mandhana Wedding Date)
এর পরেই পরিস্থিতি আরও জটিল (Smriti Mandhana Wedding Date) হয়ে ওঠে। পলাশের বিরুদ্ধে একাধিক পুরনো অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে ঘুরতে থাকে। বহু মহিলার পক্ষ থেকে নানান দাবি উঠে আসে। এমনকি ক্রিকেট মহলেও এর প্রভাব পড়ে। খবর ছড়ায়-স্মৃতির ভাই শ্রবণ মন্ধানা এবং তাঁর কয়েকজন সতীর্থ নাকি সমাজমাধ্যম থেকে পলাশকে ‘আনফলো’ করেছেন। ধীরে ধীরে গুঞ্জন পৌঁছয় এমন জায়গায় যে, অনেকেই ধরে নেন-সম্পর্ক ভেঙে গেছে।

বিয়ে কবে?
কিন্তু আচমকাই রবিবার রাতে একটি পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়, যেখানে দাবি করা হয়-সব ভুল বোঝাবুঝি কাটিয়ে উঠেছেন স্মৃতি ও পলাশ। আগামী ৭ ডিসেম্বর নাকি তাঁদের নতুন বিয়ের দিন ঠিক হয়েছে। এমনকি পলাশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলেও উল্লেখ করা হয় ওই পোস্টে। তবে এই দাবি সম্পর্কে কিছুই নিশ্চিত করেননি স্মৃতির ভাই শ্রবণ। সংবাদমাধ্যমকে তিনি স্পষ্ট জানান, “বিয়ের তারিখ নিয়ে কোনও নতুন তথ্য আমার জানা নেই। যতদূর শুনেছি, বিয়ে আপাতত স্থগিতই আছে।”
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ‘এসআইআর আতঙ্কে’ মৃত ও অসুস্থদের জন্য অর্থসাহায্য ঘোষণা মমতার
এদিকে সোমবার মুম্বই বিমানবন্দরে স্মৃতি মন্ধানার বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা যায় পলাশ মুচ্ছলকে। এই দৃশ্য দেখেই জল্পনা আরও বেড়েছে। অনেকে মনে করছেন, আগের বার বিয়ের ঠিক আগে যত সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, এ বার হয়তো দম্পতি ও তাঁদের পরিবার আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন।


