Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নদীর এপার থেকে ওপারে ট্রেন নিয়ে যেতে সেতুই (Underwater Robot Drones) ভরসা রেলের৷ সারা বিশ্বে বিভিন্ন নদীর উপর ট্রেন চলাচলের জন্য এমন অসংখ্য সেতু দেখা যায়৷ কিছু নতুন৷ কিছু আবার বহু বছরের পুরনো৷ সেতুগুলির হাল খতিয়ে দেখতে নজরদারি চলে সারা বছর৷ প্রয়োজন মতো রক্ষণাবেক্ষণের কাজও করা হয়৷ এবার সেই কাজকে আরও সহজ করার উদ্যোগ নিল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে৷
সেতুই একমাত্র ভরসা (Underwater Robot Drones)
নদীর এক দিক থেকে অন্যদিকে চলাচলের জন্য রেলের পক্ষে (Underwater Robot Drones) সেতুই একমাত্র ভরসা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছোট-বড় নদীর উপর দাঁড়িয়ে থাকা অসংখ্য রেলসেতু প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এবং মালবাহী রেকের যাতায়াত বহন করে। উপরিভাগে নিয়মিত পরিদর্শন হলেও এতদিন জলের তলায় থাকা অংশগুলি পরীক্ষা করা রেলের জন্য ছিল একপ্রকার কঠিন চ্যালেঞ্জ। এবার সেই সমস্যার সমাধানেই উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের পথে হাঁটল।
প্রয়োজন মতো রক্ষণাবেক্ষণের কাজ (Underwater Robot Drones)
সেতুগুলির হাল খতিয়ে দেখতে নজরদারি চলে সারা বছর (Underwater Robot Drones)৷ প্রয়োজন মতো রক্ষণাবেক্ষণের কাজও করা হয়৷ ভারতীয় রেলও তার ব্যতিক্রম নয়৷ সারা বছরই রেলের ইঞ্জিনিয়ররা খেয়াল রাখেন সেতুগুলির৷ কিন্তু এই রক্ষণাবেক্ষণের পুরোটাই হয় জলের উপরে থাকা সেতুর অংশে৷ জলের নিচে সেতুগুলির কোন অবস্থায় রয়েছে, তা জানতে রীতিমতো কালঘাম ছুটে যায় রেলের আধিকারিকদের৷ এবার সেই কাজকে আরও সহজ করার উদ্যোগ নিল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে ৷ তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার প্রযুক্তির সাহায্যে পরীক্ষা করা হবে যেকোনও সেতুর জলের নিচে থাকা অংশ৷ এর জন্য ব্যবহার করা হবে আন্ডারওয়াটার রবোট ড্রোন৷ ইতিমধ্যে সেই কাজ শুরুও হয়ে গিয়েছে৷
আরও পড়ুন: FIFA World Cup 2026: প্রতিটি ম্যাচে হাইড্রেশন ব্রেক, বিজ্ঞাপন টানতেই কি এই সিদ্ধান্ত?
উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে উত্তর-পূর্ব ভারত-সহ পশ্চিমবঙ্গের একটি অংশে রেল চলাচলের দায়িত্বে৷ তিস্তা-ব্রহ্মপুত্রের মতো বড় নদী ছাড়াও একাধিক ছোট-বড় নদী রয়েছে৷ সবমিলিয়ে 34টি সেতু রয়েছে৷ এই সেতুগুলির মধ্যে অন্যতম অসমে ব্রহ্মপুত্রের উপর সরাইঘাট সেতু৷ এই সেতুগুলির মধ্যে 18টি সেতু রয়েছে আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে৷ সব মিলিয়ে প্রায় 4200 কিলোমিটার রেললাইন রয়েছে সেতুর উপর৷ এই সেতুগুলি নিয়মিত পরীক্ষা করেন রেলের ইঞ্জিনিয়ররা৷ যে নদীগুলিতে জল কম থাকে, সেগুলি সেই সময় পর্যবেক্ষণ করা হয়৷ তবে কিছু নদীতে গভীর জল থাকে সারা বছর৷ ওই নদীগুলিতে থাকা সেতুর জলের তলার অংশে নজরদারি চালানো সম্ভব হয় না৷ যদিও যাত্রী সুরক্ষার জন্য সেতুর ওই অংশগুলিতেও নজরদারি চালানো জরুরি৷ সেই কারণেই রোবট ব্যবহার করে নজরদারির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের তরফে জানানো হয়েছে৷


