Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পৌষের শীতে জবুথবু দশা। সোয়েটার, মাফলার ছাড়া বাইরে বেরোচ্ছেন না। কিন্তু তাতেও এড়ানো যাচ্ছে গাঁটের ব্যথা(Joint Pain), কোমরের যন্ত্রণা। বয়স বাড়লে এই ধরনের সমস্যাগুলো জোরাল হয়। এদিকে কম বয়সিদের মধ্যেও গাঁটের ব্যথা দিন দিন বাড়ছে। শীতকাল এলেই যেন এই সব ব্যথা-যন্ত্রণা আরও বেড়ে যায়। কেন ঠান্ডা বাড়লেই গাঁটের ব্যথা-যন্ত্রণা বাড়ে এবং এর থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কী?
কেন ঠান্ডা বাড়লেই গাঁটের ব্যথা-যন্ত্রণা বাড়ে?(Joint Pain)
তাপমাত্রা কমলে হাতে-পায়ের গাঁটে ব্যথা(Joint Pain) বাড়তে থাকে। যত বেশি ঠান্ডা, ততই ব্যথা-যন্ত্রণা বেশি। বাতাসের চাপ কম থাকার জন্য গাঁটের চারপাশের টিস্যু সম্প্রসারণ হয়ে যায়। আবার অনেক সময় ঠান্ডায় রক্তনালিগুলো সঙ্কুচিত হয়ে যায়। তা ছাড়া এই মরশুমে শরীরচর্চার অনীহাও দেখা যায়। এমনকি দেহে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি তৈরি হয়। সব মিলিয়ে গাঁটের ব্যথা-যন্ত্রণায় কষ্ট বাড়ে। তাই জেনে নিন গাঁটের ব্যথা-যন্ত্রণা থেকে মুক্তির উপায়।

শরীরকে গরম রাখুন(Joint Pain)
শীতকালে ঠান্ডা লাগার ধাত থেকে মুক্তি পেতে গেলে ইমিউনিটি শক্তিশালী হওয়া জরুরি। আর গাঁটের ব্যথা(Joint Pain)-যন্ত্রণা কমাতে হলে ঠান্ডার হাত থেকে দূরে থাকতে হবে। উলের বস্ত্র পরুন। এমন খাবার খান, যা শরীরকে গরম রাখবে। শরীর গরম থাকলে চট করে হাড়ের ব্যথা-যন্ত্রণা শুরু হবে না।

শরীরচর্চা করুন
শীতের সকালে ঘুম থেকে ওঠা যায় না, ব্যায়াম করতে ইচ্ছে হয় না—এই সব অজুহাত দেওয়া চলবে না। শারীরিক-যন্ত্রণা কমাতে হলে শরীরচর্চা জরুরি। দিনের শুরুতে শরীরচর্চা করা ভীষণ জরুরি। স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ করতে পারেন। আবার লাঞ্চ বা ডিনারের পর হাঁটতেও যেতে পারেন। এতেও উপকার পাবেন।

আরও পড়ুন: Tulsi Tea: শীতে ফ্লু-কাশি? এবার হবে দ্রুত উপশম ঘরোয়া টোটকায়
গাঁটের ব্যথা-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে কী খাবেন?
সামুদ্রিক মাছের মধ্যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন ডি রয়েছে। এগুলো দেহে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান হিসেবে কাজ করে। সপ্তাহে অন্তত ৩ থেকে ৪ আউন্স মাছ খান। কাঁচা রসুন খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। তবে, রসুন খাওয়ার অভ্যাস আপনাকে গাঁটের ব্যথা থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। এই খাবার শারীরিক প্রদাহ কমিয়ে ব্যথা-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়। রসুনের মতো আদাও গাঁটের প্রদাহ কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি শীতকালে আদা খেলে সর্দি-কাশির হাত থেকেও সুরক্ষিত থাকা যায়। আদা দিয়ে চা কিংবা শুকনো আদার গুঁড়ো দিয়ে গরম জল পান করতে পারেন।

শীতের ডায়েটে ড্রাই ফ্রুটস রাখুন। বাদাম ও বীজ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর হয়। জয়েন্টের ব্যথা-যন্ত্রণা কমাতে আপনি আখরোট, আমন্ড, ফ্ল্যাক্স সিড, চিয়া সিড ইত্যাদি খেতে পারেন। শীতকালে দুগ্ধজাত পণ্য খান। চেষ্টা করুন লো-ফ্যাট দুধ, পনির, টক দই খাওয়ার। এগুলোতে ক্যালশিয়াম ও ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এক গ্লাস দুধ খেলেও বাতের ব্যথা থেকে আরাম পাবেন।
আরও পড়ুন: Alxheimers Medicine: চিকিৎসায় কি সত্যিই যুগান্তকারী বদল আনবে ডোনানিম্যাব?


