Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রথম বিশ্বযুদ্ধের এক ব্যারাকের গল্প। কালেদিনে সেই ব্যারাক হয়ে ওঠে শহরের অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের ঠিকানা। ব্রিটিশ এবং ভারতীয়দের ভালবাসার সন্তানদের উত্তরসূরীরা বাসা বাঁধেন এই ব্যারাকগুলিতে। তারপর অঞ্জন দত্তের হাত ধরে কলকাতা ছাড়িয়ে আপামর বাঙালির মনের কাছে পৌঁছে যায় বো ব্যারাকস(Xmas)।
কলকাতার নস্ট্যালজিয়ায় বো ব্যারাকস (Xmas)
বড়দিন আর বো ব্যারাকস কলকাতার নস্ট্যালজিয়ার বড় অংশ জুড়ে। পার্ক স্ট্রিটে ঝাঁ চকচকে কেতাদুরস্ত বড়দিন এখানে আসে না। বাসিন্দাদের অনেকটা মধ্যবিত্ত কিন্তু ঐতিহ্যশালী বড়দিন পালিত হয় এখানে। আগে এখানকার বড়দিনের ওম মাখতে কলকাতাবাসীরা পৌঁছতেন এখানে। অতিথিদের আপ্যায়ন করতে বাসিন্দারা নিজেদের হাতে তৈরি কেক, ওয়াইন রাখতেন সাজিয়ে।
শতবর্ষ পেরিয়ে অমলিন বো ব্যারাকসের বড়দিন (Xmas)
দিন-মাস-বছর গড়িয়ে সময় যত এগিয়েছে বো ব্যারাকসের বড়দিনের আড়ম্বর ততই বেড়ে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু বাসিন্দাদের সৌজন্যে এই পাড়ার বড়দিন নিজের খোলস ছেড়ে বেরোয়নি। সমাজমাধ্যমের দাপটে পার্ক স্ট্রিটের পাশে বড়দিনের মাস্ট ডেস্টিনেশনে উঠে এসেছে বো ব্যারাকসও। তবে হারিয়ে যায়নি সেই ঘরোয়া গন্ধটুকু। নিজের পাড়ায় টেবিল পেতে অতিথিদের আপ্যায়ন এখনও করেন তাঁরা। সাজিয়ে বিকিকিনিতে মাতেন রিচ ফ্রুট কেক, ওয়াইন, মোমো সহ স্ট্রিট ফুড।
আরও পড়ুন: Bankura: কনকনে ঠান্ডায় ঐতিহ্যবাহী শিল্প সংস্কৃতির মেলা: শুরু হচ্ছে বিষ্ণুপুর মেলা
জমজমাট মধ্য কলকাতার অ্যাংলো পাড়া (Xmas)
বেলা গড়াতে জমজমাট মধ্য কলকাতার অ্যাংলো পাড়া। সারি সারি আলোয়, ইংলিশ গানের সুরে, উপস্থিত অতিথিদের আপ্যায়ন করে নেয় বো ব্যারাকস। কথায় কথায় জানালেন কলকাতার অ্যাংলোরা আলাদা কেউ নন তাঁরা কলকাতার প্রাণের মানুষ। তাই আলো ঝিলমিল পার্ক স্ট্রিটের জৌলুসের পাশে অনেকটা উৎসবের উষ্ণ আমেজ ছড়িয়ে চলেছে বো ব্যারাকস, যা চিরন্তন,চিরকালীন। কলকাতার ভিতরের এ এক অন্য কলকাতা।



