Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শীতকালে পায়ের গোড়ালির ত্বক অনেকেরই (Crack Heel Remedy) শুকিয়ে ফেটে যায়, যা শুধু দৃষ্টিতে অস্বস্তিকর নয়, বরং ব্যথা এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ায়। বিশেষ করে শুষ্ক আবহাওয়া, ঠান্ডা হাওয়া এবং দীর্ঘক্ষণ শক্ত মেঝেতে হাঁটার চাপ ত্বককে আরও নরম ও স্পর্শকাতর করে তোলে। বয়স বাড়া, হরমোনের পরিবর্তন, ডায়াবেটিস বা থাইরয়েডের মতো শারীরিক সমস্যা, বারবার পিছন খোলা জুতো পরা বা খালি পায়ে চলাফেরা-এসব কারণ গোড়ালির ত্বক ফেটে যাওয়ার প্রধান কারণ। কিন্তু সঠিক যত্ন ও নিয়মিত পরিচর্যা করলে এই সমস্যা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
ঘরোয়া উপায়ে গোড়ালির যত্ন (Crack Heel Remedy)
ঘরোয়া উপায়ে গোড়ালির যত্ন (Crack Heel Remedy) নেওয়া সহজ। মলম বা পমেন্ট ব্যবহার করা সবচেয়ে কার্যকর। দিনে কয়েকবার গোড়ালিতে মলম লাগানো উচিত, বিশেষ করে রাতে শোয়ার আগে। মলম লাগানোর পরে সুতির মোজা পরা উত্তম, যাতে ত্বক রাতে নরম থাকে ও পুষ্টি পায়। পেট্রোলিয়াম জেলি, গ্লিসারিন বা স্যালিসিলিক অ্যাসিডযুক্ত মলম ঘরোয়া যত্নের জন্য খুব ভালো কাজ করে।

পা ভিজিয়ে নরম করাও এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ (Crack Heel Remedy)
পা ভিজিয়ে নরম করাও এক গুরুত্বপূর্ণ (Crack Heel Remedy) ধাপ। সপ্তাহে একবার হালকা গরম জলে ১০–১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখা উচিত। চাইলে কয়েক ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েলও মেশাতে পারেন। ভিজিয়ে রাখার পর পিউমিস স্টোন দিয়ে আলতো করে মৃত ত্বক ঘষে তুলে নিন। তবে ধারাল ব্লেড বা স্ক্র্যাপার ব্যবহার করা বিপজ্জনক, এতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
আরও পড়ুন: Winter Socks: রাতে মোজা পরে ঘুমোন? অজান্তে ভুল করছেন না তো?
সঠিক জুতো নির্বাচন
সঠিক জুতো নির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ। পিছন খোলা জুতো, হাই হিল বা অত্যন্ত টাইট জুতো এড়ানো উচিত। গোড়ালিকে সমর্থন দেয় এমন আরামদায়ক জুতো ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে ইনসোল বা হিল প্যাডও ব্যবহার করতে পারেন, যা গোড়ালিকে অতিরিক্ত চাপ থেকে রক্ষা করবে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
যদি ব্যথা বেড়ে যায় বা সংক্রমণের আশঙ্কা দেখা দেয়; ঘরোয়া চিকিৎসায় আরাম না আসে; অথবা ডায়াবেটিস বা অন্যান্য জটিল সমস্যায় আক্রান্ত হন, তখন অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ফাটা গোড়ালি প্রতিরোধ ও চিকিৎসার জন্য কয়েকটি সহজ নিয়ম মেনে চলা যেতে পারে:
- প্রতিদিন পা ও গোড়ালিকে মলম বা ক্রিম দিয়ে ময়েশ্চারাইজ করা।
- খালি পায়ে হাঁটা এড়ানো।
- পর্যাপ্ত জল খাওয়া।
- দীর্ঘসময় শক্ত মেঝেতে দাঁড়ানো এড়ানো।
- সঠিক এবং আরামদায়ক জুতো পরা।


