Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইপ্যাকের অফিসে ইডির হানা (Mamata Banerjee) রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনার জোয়ার তুলেছে। বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিসে অভিযান শুরু হতেই সরাসরি ঘটনাস্থলে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে সরাসরি আক্রমণ ছুড়ে দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ধরনের অভিযান শুধু নির্বাচনী ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয়, বরং বাংলার মানুষকে দমাতে করা হচ্ছে। তিনি তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকদের প্রতি ডাক দেন যে, বিকেল চারটা থেকে রাজ্যের সব ওয়ার্ড ও ব্লকে এই অভিযানকে ঘিরে প্রতিবাদ মিছিল বের হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Mamata Banerjee)
মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “যদি ক্ষমতা থাকে, তবে সরাসরি (Mamata Banerjee) মোকাবিলা কর, ভোটারের নাম বাদ দিয়ে, ডেটা চুরি করে, বাংলার মানুষকে পীড়িত করো-তাহলে মনে রাখো, বাংলার ক্ষোভ শুধু রাজ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, গোটা দেশ বিরক্ত হবে।” মমতার এই বক্তব্য রাজ্য রাজনীতিকে এক নতুন উত্তেজনায় তোলার পাশাপাশি রাজনৈতিক সন্ত্রাস ও সংস্থাগত দমন নিয়ে বিতর্ককেও আরও জটিল করেছে।

আইপ্যাকের অফিসে ইডির হানা (Mamata Banerjee)
আইপ্যাকের অফিসে ইডির হানার পর শিক্ষামন্ত্রী (Mamata Banerjee) ব্রাত্য বসুও সরাসরি মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বিপক্ষ যতই চেষ্টা করুক, মানুষ উপযুক্ত জবাব দেবে। অভিষেক জেলায় ঘুরে বেড়ানোর মধ্যেও মানুষকে ব্যস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমরা দেখব, কীভাবে আবার আইপ্যাক এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাকে মোকাবিলা করা যায়।” ব্রাত্য বসু কটাক্ষ করে বলেন, কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে রাজনৈতিকভাবে হস্তক্ষেপ করছে।

সল্টলেকের অফিসেও হানা
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালেই দিল্লিতে কয়লা দুর্নীতি মামলার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এরপর সল্টলেকের অফিসেও হানা দেয় ইডি। খবর পেতেই মমতা সোজাসুজি ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এই ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মাও লাউডন স্ট্রিটে উপস্থিত হন।
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি তল্লাশি করলে ১০০ কোটি টাকা বেরোবে: তীব্র আক্রমণ শুভেন্দুর!
এই ইডি অভিযানকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় সংস্থার আচরণকে নির্বাচনী হিতের সঙ্গে যুক্ত করে সমালোচনা করা হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপি এই ঘটনায় তৃণমূলকে আক্রমণ করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভোটের আবহে এই ঘটনা রাজ্য রাজনীতির নাটকে নতুন মোড় আনবে। সবমিলিয়ে, এই হানা রাজনীতির মাঠে কেন্দ্র বনাম রাজ্যের সংঘাত আরও তীব্রভাবে প্রকাশ করেছে।


