Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এখনও পর্যন্ত আইসিসির কাছে লিখিত ভাবে কিছু জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সাথে আলোচনায় এগিয়ে এল আইসিসি (ICC)।
পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা শুরু আইসিসি-র (ICC)
ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কটের কথা জানানো হয়েছে পাকিস্তানের সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে কিছু জানানো হয়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে। আইসিসি-কে লিখিত ভাবে কিছু জানায়নি পাক ক্রিকেট বোর্ড। এই আবহে শ্রীলঙ্কায় পৌঁছে গিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে এল আইসিসি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে (ICC)।
আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহের সহকারী অর্থাৎ, বোর্ডের ডেপুটি-চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পাক ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা আলোচনা করার। আইসিসি চায় যেকোন ভাবে পাকিস্তান বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলুক। পাকিস্তানকে ম্যাচ খেলানোর জন্য গুরুদায়িত্ব এখন ইমরানের কাঁধে। এক ক্রীড়া সংবাদসংস্থা জানিয়েছে ইমরান সিঙ্গাপুর ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধি। আইসিসিতে জয় শাহের পরেই রয়েছেন তিনি।

রিপোর্টে প্রকাশ খবর অনুযায়ী ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে যেমন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ক্ষতি তেমনই বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে আইসিসি-কেও। কারণ সম্প্রচারণকারী সংস্থার সঙ্গে চার বছরের চুক্তিতে রয়েছে ভারত-পাক মহারণ। এই ম্যাচের কারণেই চুক্তির অঙ্ক বেড়েছে। এখন এই ম্যাচ না হলে ক্ষতি হবে সম্প্রচারকারী সংস্থার। চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পাশাপাশি কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে আইসিসি-কে। তাতে আইসিসি-র মুখ পুড়তে পারে। এর কারণে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চুপ থাকলেও পদক্ষেপ নিচ্ছে আইসিসি (ICC)।
আরও পড়ুন: Australia: বিদেশের মাটিতে বারবার গান্ধীমূর্তি টার্গেট
বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে ক্ষতি হবে ৪৫০০ কোটি টাকা। সম্প্রচারস্বত্ব, বিজ্ঞাপন, স্পনসর, টিকিট বিক্রি, আইনি জুয়া ও বাকি সব বিষয় ধরে এই হিসাব করা হয়েছে। বিশ্ব মঞ্চে অন্য কোনও দলের ম্যাচ এর ধারেকাছেও আসে না। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের বার্ষিক আয়ের থেকে ১৫ গুণ ক্ষতি হবে এই একটি ম্যাচ থেকে।
যদিও এর মাঝেই আইসিসি-কে নিশানা করেছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। এক্স মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘ক্রিকেটকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নতুন এক বিশ্বক্রিকেট নিয়ামক সংস্থা গঠন জরুরি হয়ে পড়েছে। আইসিসি ভারতের হাতের পুতুলে পরিণত হয়েছে।’ তবে এই বিষয়েও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বা আইসিসি-র তরফে কিছু বলা হয়নি। এখন সবাই তাকিয়ে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলতে সম্মত হয় কিনা (ICC)।


