Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কল্যাণীতে অলৌকিক কিছু না হলে বাংলার সেমিফাইনালের টিকিট পাওয়া কার্যত সময়ের অপেক্ষা (Sudip Gharami)।
সেমিফাইনালের পথে বাংলা (Sudip Gharami)
রঞ্জি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যাচের রাশ বাংলার হাতে। তার নেপথ্যে সুদীপ ঘরামির অনবদ্য ইনিংস। এই মুহূর্তে যা অবস্থা তাতে খুব অঘটন না ঘটলে এই ম্যাচে বাংলার হারের সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লের ছেলেরা। কল্যাণীতে সেমিফাইনালে বাংলার প্রতিপক্ষ জম্মু-কাশ্মীর। তারা কোয়ার্টার ফাইনালে মধ্যপ্রদেশকে ৫৬ রানে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে (Sudip Gharami)।

প্রথম ইনিংসে ব্যাট করে ২৯৫ রান করে অন্ধ্র। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথমে উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও সুদীপ ঘরামী একার কাঁধে দলের দায়িত্ব তুলে নেন। সুদীপের ব্যাটে ভর করে বাংলা এই মুহূর্তে সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখছে। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে বাংলার। সেই সময় ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে সুদীপ কুমার ঘরামি ও সুমন্ত গুপ্ত ৩৩৮ বলে ১৬৫ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ম্যাচে ফেরান বাংলাকে (Sudip Gharami)।

আরও পড়ুন: International Pizza Day 2026: কীভাবে সাধারণ রুটি জয় করল গোটা পৃথিবী
অন্য প্রান্তে পরপর উইকেট হারালেও। সুদীপ একদিক একা হাতে আগলে রাখেন অন্য দিক। তবে এক রানের জন্য হাতছাড়া হয় ৩০০ রান। ২৯৯ রানে তাঁকে ফিরতে হয় সাজঘরে। ১৯৯৮ সালে করা দেবাঙ্গ গান্ধীর ৩২৩ রানের রেকর্ড অল্পের জন্য হাতছাড়া হয় সুদীপের। তাঁর ইনিংস সাজানো রয়েছে ৩১টি চার ও ৬টি ছয় দিয়ে।

৯ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর হাত খুলে খেলা শুরু করেন মহম্মদ সামি। অন্ধ্রের বোলারদের দিশাহীন অবস্থা সেই সময়ে। মাত্র ৩০ বলে অর্ধশতরান করেন সামি। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও তিনটি ছয়। অবশেষে ৩৩ বলে ৫৩ রান করে আউট হন তিনি। ৬২৯ রানে শেষ হয় বাংলার ইনিংস। প্রথম ইনিংসে ৩৩৪ রানের লিড পায় বাংলা। রঞ্জির শেষ চারে পৌঁছে গিয়েছে কর্নাটক ও জম্মু-কাশ্মীর। বাংলা শেষ চারে গেলে সেমিফাইনাল খেলতে হবে জম্মুর বিরুদ্ধেই। যারা প্রথমবার রঞ্জির শেষ চারে গেল।

এরপর অন্ধ্র চতুর্থ দিনের শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৬৪ রান তুলেছে। অধিনায়ক রিকি ভুঁই ১৮ ও নীতীশ কুমার রেড্ডি ১ রানে অপরাজিত। আকাশ দীপ, সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল ও শাহবাজ আহমেদ একটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এত বড় লিডে অন্ধ্রের পক্ষে ম্যাচে ফেরা কার্যত অসম্ভব। এখনও খেলা বাকি রয়েছে। কিন্তু এখন থেকেই সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণেরা (Sudip Gharami)।


