Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়ার একেবারে শেষ পর্যায়ে এসে আনম্যাপড ভোটারদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় তোলাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্যে(Unmapped Voter)। অভিযোগ মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু এলাকায় ইনিউমারেশন ফর্মে ২০০২ সালের লিঙ্কেজ বা কমিশন নির্ধারিত ১৩টি নথির কোনওটি দেখাতে না পারা ভোটারদের জন্য বিশেষ একটি ফর্ম বিলি করা হয়েছে বুথ লেভেল অফিসারদের মধ্যে।
বিশেষ ফর্ম বিলিতে ধন্দে কমিশন (Unmapped Voter)
শনিবার SIR শুনানি শেষ হওয়ার কথা। তারপর নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার সুযোগ নেই। ঠিক তার আগেই এই ধরণের বিশেষ ফর্ম বিলি হওয়ায় ধন্দে পড়েছে নির্বাচন কমিশন । সিইও দফতর সূত্রের খবর কমিশন এই ধরনের কোনও ফর্ম দেয়নি। কারা এবং কীভাবে এই ফর্ম বিলি করল, তা জানতে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছ থেকে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
আনম্যাপড ভোটারদের দিয়ে মুচলেকা!
অভিযোগ আনম্যাপড ভোটারদের দিয়ে মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়া হচ্ছে যে তাঁদের বা পরিবারের কারও কাছে ২০০২ সালের লিঙ্কেজ বা নির্ধারিত নথি না থাকলেও তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বসবাস করছেন। পাশাপাশি ওই বুথের অন্তত পাঁচজন বৈধ ভোটার তাঁদের চেনেন এমন পাঁচজনের এপিক নম্বর ও স্বাক্ষরের জায়গাও রাখা হয়েছে ফর্মে।
অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে
রাজ্যে আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ বলে সূত্রের দাবি। একেবারে শেষ মুহূর্তে শুধুমাত্র পাঁচজনের পরিচিতির ভিত্তিতে নাম তোলার সুযোগ দেওয়া হলে অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছে কমিশন । যাদবপুর ও হরিহরপাড়ায় এই ধরনের ফর্ম বিলির নির্দিষ্ট তথ্য কমিশনের হাতে এসেছে বলে জানা গিয়েছে।
ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট! (Unmapped Voter)
দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে ইনিউমারেশন ফর্ম যাচাই করতে গিয়ে রোল অবজার্ভাররা আরও একটি অসঙ্গতি খুঁজে পান। মগরাহাট ২ ব্লকের একটি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট নামে একটি নথি দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। অথচ এমন কোনও নথি কমিশনের অনুমোদিত তালিকায় নেই।
আরও পড়ুন: KMC Budget: কলকাতা পুরসভার বাজেট : ১১১ কোটি টাকার ঘাটতি বাজেট পেশ মেয়রের
আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ (Unmapped Voter)
সূত্রের খবর এস আই আর হিয়ারিংয়ে এক বাসিন্দার সাত সন্তান দেখানো হয়েছিল ফর্মে। লজিকাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে তাঁদের ডাকা হলে দেখা যায় তাঁরা ওই পঞ্চায়েত প্রদত্ত ব্লাড রিলেশন সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইআরও কে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সিইও দফতর থেকে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে শুনানির পর নথি আপলোডে একাধিক ভুল ধরা পড়ছে এবং কিছু ক্ষেত্রে ইআরও দের গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে।



