Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধ তৃতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। এর মধ্যেই নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের ছেলে ও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেইকে ঘিরে তৈরি হয়েছে গভীর রহস্য(Mojtaba Khamenei)। ৫৬ বছর বয়সী এই নেতার অবস্থান নিয়ে জল্পনা ক্রমেই বাড়ছে।
গুরুতর আহত মোজতবা খামেনেই! (Mojtaba Khamenei)
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ হামলার পর গুরুতর আহত হন মোজতবা খামেনেই। এমনকি তিনি কোমায় আছেন বলেও শোনা যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “সে আদৌ বেঁচে আছে কি না, তা নিয়েও নিশ্চিত নই।”
রাশিয়ায় চিকিৎসাধীন খামেনেই!
কুয়েতি সংবাদপত্র আল-জারিদার এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, খামেনেইকে গোপনে রাশিয়ার একটি সামরিক বিমানে করে মস্কোয় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একটি আবাসনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিগত চিকিৎসাকেন্দ্রে তার অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন।
চিকিৎসায় ইরানি চিকিৎসকরাও
প্রতিবেদন অনুযায়ী, তার চিকিৎসায় রুশ চিকিৎসকদের পাশাপাশি ইরানি চিকিৎসকরাও যুক্ত রয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে এই অপারেশনটি অত্যন্ত গোপনে পরিচালনা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এই দাবি এখনও ইরান বা রাশিয়ার সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।
বিস্ফোরণে গুরুতর আহত
অন্যদিকে, ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড দ্য সান দাবি করেছে, খামেনেই বর্তমানে ইরানের সিনা ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিস্ফোরণে তার শরীরের একাধিক অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তিনি সম্ভবত কোমায় রয়েছেন।
তথ্য আছে ইজরায়েলের কাছে! (Mojtaba Khamenei)
এদিকে খামেনেইর নামে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি বার্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কিছু সূত্রের দাবি, সেটি তিনি নিজে দেননি; বরং ইরানের নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান আলি লারিজানি তা লিখে থাকতে পারেন। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, তাদের কাছে খামেনেইর অবস্থান ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য আছে, তবে তা প্রকাশ করা হবে না।
আরও পড়ুন: Hormuz India: ভারতীয় জাহাজের নিরাপদে হরমুজ পার : চুক্তি নয় যোগাযোগেই বাজিমাত, দাবি জয়শঙ্করের
ইরানের ভিতর থেকেও বিভ্রান্তিকর বার্তা (Mojtaba Khamenei)
এদিকে ইরানের ভিতর থেকেও বিভ্রান্তিকর বার্তা আসছে। এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশের সামরিক কমান্ডারদের কাছেও খামেনেইর অবস্থান বা অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। সব মিলিয়ে প্রশ্নটা এখনও একই মোজতবা খামেনেই কি জীবিত, নাকি মৃত্যুর মুখে? এই রহস্য এখনো অমীমাংসিতই রয়ে গেছে।



