Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি বিপণন সংস্থাগুলি ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (IOC), ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (BPCL) এবং হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (HPCL) দেশজুড়ে পেট্রোল পাম্পগুলির কাছ থেকে অগ্রিম অর্থ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে(India Fuel)। ডিলারদের দাবি, খুচরো বিক্রিতে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ায় এই পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে সংস্থাগুলি।
সংস্থাগুলির উপর আর্থিক চাপ বেড়েছে (India Fuel)
দেশে প্রায় ১,০১,৪৭০টি খুচরো জ্বালানি স্টেশনের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই এই তিন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সঙ্গে যুক্ত। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ১০০ ডলারের উপরে উঠে যাওয়ায় এবং টাকার দাম পড়ার ফলে সংস্থাগুলির উপর আর্থিক চাপ ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
সরকার খুচরো জ্বালানির দাম বাড়ায়নি
বিশেষ করে মার্কিন-ইজরায়েল-ইরান সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে, যার প্রভাব সরাসরি পড়ছে বিশ্ব বাজারে। ফলে পেট্রোল ও ডিজেলের ‘ক্র্যাক স্প্রেড’ বা লাভের মার্জিন বহু বছরের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। তবুও সাধারণ মানুষকে চাপ থেকে বাঁচাতে সরকার খুচরো জ্বালানির দাম বাড়ায়নি।
সমস্যায় পড়েছেন ডিলাররা (India Fuel)
এর আগে ডিলারদের পাঁচ দিনের ক্রেডিট সুবিধা দেওয়া হত, অর্থাৎ তারা আগে জ্বালানি নিয়ে পরে দাম মেটাতে পারতেন। কিন্তু নতুন নিয়মে অগ্রিম অর্থ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা তৈরি হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন ডিলাররা।
ডিলাররা অত্যন্ত অসন্তুষ্ট (India Fuel)
অল ইন্ডিয়া পেট্রোলিয়াম ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অজয় বনসাল বলেন, “ডিলাররা অত্যন্ত অসন্তুষ্ট। আমরাও অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকদের, যেমন সরকারি দপ্তর বা পরিবহন সংস্থাকে, ধার ভিত্তিতে জ্বালানি দিই। এখন অগ্রিম টাকা দিতে হলে ব্যবসা চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।” এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে চাপ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা শেষ পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে।



