Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চৈত্র মাস পড়ে গিয়েছে। এই মাসেই চৈত্র নবরাত্রি হিন্দু ধর্মের একটি গুরুত্বপূর্ণ নয়দিনের উৎসব। এরই নবম দিনে রাম নবমীর মাধ্যমে উৎসব শেষ হয়(Ramnavmi Navratri)। এই দিনটি ভগবান রামের জন্মতিথি হিসেবে উদযাপিত হয়। উত্তর ভারতে এই উৎসব বিশেষভাবে প্রচলিত, বিশেষ করে অযোধ্যা এর আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হলেও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত এবং প্রবাসী ভারতীয় সমাজেও ভিন্ন ভিন্নভাবে এটি পালিত হয়।
নবরাত্রির প্রথম দিনে ঘটস্থাপনা (Ramnavmi Navratri)
উৎসবের সূচনা হয় ঘটস্থাপনার মাধ্যমে, যা নবরাত্রির প্রথম দিন। প্রতিটি দিনের আলাদা ধর্মীয় তাৎপর্য রয়েছে। এই সময়ে অনেকেই উপবাস পালন করেন, প্রার্থনা করেন এবং রামায়ণ বা রামচরিতমানস পাঠ করেন। উপবাস সাধারণত সংযম ও সরলতার প্রতীক ফল, দুধ, কুট্টু বা সিংহাড়ার আটা এবং সেঁধা লবণ দিয়ে খাবার গ্রহণ করা হয়। তবে স্বাস্থ্যগত কারণে কঠোর উপবাস বাধ্যতামূলক নয়।
নবম দিনে দুপুরে ‘মধ্যাহ্ন পূজা’
মন্দিরে গেলে শালীন পোশাক পরা, জুতো খুলে প্রবেশ করা এবং প্রার্থনার সময় নীরবতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ। নবম দিনে, অর্থাৎ রামনবমীতে, দুপুরে ‘মধ্যাহ্ন পূজা’ অনুষ্ঠিত হয়, যা ভগবান রামের জন্মমুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত। এদিন প্রসাদ হিসেবে পাঞ্জিরি বা পঞ্চামৃত বিতরণ করা হয়।
দান উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ দিক (Ramnavmi Navratri)
এই সময় ভজন, কীর্তন এবং সামাজিক অনুষ্ঠানও আয়োজন করা হয়, যেখানে সকলেই শ্রদ্ধার সঙ্গে অংশ নিতে পারেন। দান বা অভাবীদের সহায়তা করাও এই উৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।
আরও পড়ুন: Delhi Fire: দিল্লির পালামে ভবনে ভয়াবহ আগুন, ৩ শিশু সহ মৃত ৯
বিভিন্ন নিয়মে নবরাত্রি পালন (Ramnavmi Navratri)
মনে রাখা দরকার, নবরাত্রি পালনের ধরণ একেক জায়গায় একেক রকম। কারও পালন কঠোর, কারও সহজ এবং এই দুটোই সমানভাবে গ্রহণযোগ্য। এছাড়া, উৎসবকে কেবল বাহ্যিক প্রদর্শনে সীমাবদ্ধ না রেখে এর আধ্যাত্মিক দিকটিকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। চৈত্র নবরাত্রি ও রাম নবমী এমন এক সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরম্পরা, যা ভক্তি, সংযম এবং সহমর্মিতার বার্তা বহন করে।



