Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের মধ্যে জারি সংঘাতের মধ্যেই রাশিয়া তেহরানে ড্রোন পাঠাচ্ছে বলে দাবি করেছে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামরিক সহায়তার পাশাপাশি মস্কো নাকি ইরানকে খাদ্য, ওষুধ, গোয়েন্দা তথ্য, টার্গেটিং ডেটা এবং স্যাটেলাইট চিত্রও সরবরাহ করছে(Russia Iran)। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই প্রথম সহায়তা বলে মনে করা হচ্ছে।
অভিযোগ অস্বীকার ক্রেমলিনের (Russia Iran)
পশ্চিমী গোয়েন্দা সূত্রের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি মাসেই ধাপে ধাপে ড্রোন পাঠানো শুরু হয়েছে এবং মাসের শেষের মধ্যে তা সম্পূর্ণ হতে পারে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ক্রেমলিন। মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “এখন অনেক ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। তবে আমরা ইরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।”
ইরানি নকশায় রুশ ড্রোন
যুদ্ধের শুরু থেকে ইরান ৩,০০০-র বেশি সস্তা ড্রোন ব্যবহার করেছে। অন্যদিকে, রাশিয়াও ২০২৩ সাল থেকে ইরানি নকশার ওপর ভিত্তি করে ড্রোন তৈরি করছে, যা উন্নত করে বিমান প্রতিরক্ষা এড়াতে এবং বেশি বিস্ফোরক বহনে সক্ষম করা হয়েছে।
ইরানের কোন ড্রোন সরবরাহ
কোন ধরনের ড্রোন ইরানকে দেওয়া হচ্ছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এক পশ্চিমী নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, রাশিয়া সম্ভবত ‘গেরান-২’ মডেলের ড্রোন দেবে, যা মূলত ইরানের শাহেদ-১৩৬-এরই উন্নত সংস্করণ।
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাতেও ভূমিকা রাশিয়ার (Russia Iran)
প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়া শুধু সামরিক শক্তিই বাড়াচ্ছে না, তেহরানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও বজায় রাখতে ভূমিকা রাখছে। এরই মধ্যে কাস্পিয়ান সাগরে রাশিয়া-ইরান সামরিক সরবরাহ রুটে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Tangsiri Iran Death: মৃত হরমুজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইরানি সেনা কমান্ডার: দাবি ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যমের
উন্নত বিমান প্রতিরক্ষায় না রাশিয়ার (Russia Iran)
এদিকে, ইরান আরও উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চাইলেও রাশিয়া এখনও এস-৪০০ দিতে রাজি হয়নি। কারণ, এতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে। যদিও দুই দেশ গত বছর কূটনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তবুও সেটি পারস্পরিক সামরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নয়।



