Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কাতারের বহুল আলোচিত গুপ্তচরবৃত্তি মামলার প্রেক্ষাপটে নতুন এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় সামনে এসেছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি যিনি দোহায় আটক আটজন প্রাক্তন নৌকর্মীর মধ্যে একজন একটি পৃথক আর্থিক মামলায় কাতার হাইকোর্ট থেকে সম্পূর্ণ খালাস পেয়েছেন(Qatar Navy Officer)।
সব অভিযোগ থেকে মুক্ত (Qatar Navy Officer)
১২ মার্চ ২০২৬-এ আদালত আপিল গ্রহণ করে আগের রায় বাতিল করে এবং তিওয়ারিকে সব অভিযোগ থেকে মুক্ত ঘোষণা করে। আদালত জানায়, সংশ্লিষ্ট লেনদেনগুলি অভিযোগকারীর সম্মতিতেই হয়েছিল এবং এতে কোনো অপরাধমূলক উদ্দেশ্য ছিল না।
তিওয়ারি এখনও দোহা জেলে বন্দি
তবে বিস্ময়করভাবে, খালাস পাওয়ার পরও তিওয়ারি এখনও দোহা জেলে বন্দি রয়েছেন। তাঁর পরিবার দাবি করেছে, আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক ত্রুটির কারণে তিনি এখনও দেশে ফিরতে পারেননি। ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে যাচ্ছে বলেও পরিবারের অভিযোগ।
বড় ধরনের গাফিলতি
তিওয়ারির বোন মিতু ভার্গব জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপে বাকি সাতজন নৌকর্মী ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পেলেও, “কাগজপত্রের ভুলে” তাঁর ভাইকে রেখে দেওয়া হয়। তিনি এটিকে বড় ধরনের গাফিলতি বলে দাবি করেছেন।
তিওয়ারিকে ফাঁসানোর অভিযোগ (Qatar Navy Officer)
পরিবারের আরও অভিযোগ, কোম্পানির সিইও নিজের দোষ চাপিয়ে দিতে তিওয়ারিকে একঘরে করে জোর করে কিছু নথিতে সই করান। যদিও আদালত সেই অভিযোগ খারিজ করেছে। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। পরিবারের দাবি, দোহা কারাগার এমন একটি এলাকায় যেখানে হামলার আশঙ্কা রয়েছে।
কেন্দ্রের হস্তক্ষেপের আবেদন (Qatar Navy Officer)
৮৭ বছর বয়সী মায়ের আর্তি তুলে ধরে পরিবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছে। তাঁদের কথায়, “একজন নির্দোষ ও অসুস্থ প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এখন জাতীয় সম্মানের বিষয়।”



