Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৫ সালের আইপিএল জিতে শেষ করেছিল বেঙ্গালুরু আর সেই জয়ের ধারাই অব্যাহত রইল এই মরশুমের আইপিএল-এও (RCB)।
চেন্নাইয়ের লজ্জার পারফরম্যান্স (RCB)
এবার যেন চেন্নাই আর কলকাতার মধ্যে লড়াই চলছে কে লিগ টেবলের শেষ দুই স্থান দখল করবে। ২০২৫ সালও অন্যতম খারাপ মরশুম ছিল চেন্নাইয়ের। দশ নম্বর স্থানে মরশুম শেষ করেছিল হলুদ ব্রিগেড। গত বছরের ব্যর্থতার গ্লানি ভুলে এই বছরে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে নেমেছিল চেন্নাই। কিন্তু এই বছরটাও অন্যতম দুঃস্বপ্ন ঋতুরাজ ব্রিগেডের। ২০২৬ সালের আইপিএল হারের হ্যাটট্রিক দিয়ে শুরু করল ধোনিহীন চেন্নাই। বিরাট বাহিনীর কাছে ৪৩ রানে হেরে লিগ টেবিলের শেষ স্থানে চেন্নাই (RCB)।
বেঙ্গালুরুর এটা ছিল দ্বিতীয় ম্যাচ আর সেই ম্যাচে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল চেন্নাই। প্রথম ম্যাচের পর বেঙ্গারুলুর সমর্থকরা যেমনটা আশা করেছিলেন তেমনটাই হলো। শুরুতেই ওঝা গিয়েছিল বড় রানে গিয়ে থামতে চলেছে আরসিবি আর সেটাই হলো। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২৫০ রান করে আরসিবি নতুন নজির তৈরি করে দিল। চলতি আইপিএল-এর প্রথম দল হিসেবে আরসিবি ২৫০ রান করল। শুরুতে বিরাট ফেরেন ২৮ রানে এবং ফিল সল্ট ফেরেন ৩০ বলে ৪৬ করে কিন্তু তারপরেও কোনও সমস্যায় পড়তে হয়নি বেঙ্গালুরুকে।

দলের হয়ে দুরন্ত পারফর্ম করে বড় স্কোরে নিজেদের অবদান রাখলেন দেবদত্ত পাড্ডিকল, অধিনায়ক রজত পতিদার ও টিম ডেভিড। ২৯ বলে ৫০ করেন পাড্ডিকল, পতিদার করেন ১৯ বলে ৪৮ এবং টিম ডেভিড করেন ২৫ বলে ৭০ রান। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে তখন ২৫০ রান আর এর থেকেই বোঝা যায় চেন্নাইয়ের বোলিংয়ের খারাপ অবস্থা। আর একটা বিষয় এখন থেকে স্পট হয় যে দলগত পারফরম্যান্স যত মজবুত হয় ততই দলের জয়ের সম্ভাবনা দৃঢ় হয় (RCB)।

চেন্নাইয়ের হয়ে উইকেট নেন জেমি ওভারটন, শিবম দুবে ও অনশুল কম্বোজ। বাকিরা কেউই আর তেমন দাগ কাটতে পারেননি। বেঙ্গালুরুর ব্যাটিং দুর্গ ভাঙতে এর থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী হতে হতো চেন্নাইকে।

রানের পাহাড় নিয়ে জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট কোর্ট নেমে আবারও ব্যর্থ হন সঞ্জু স্যামসন। এই মরশুমের আইপিএল-এর শুরুটা যেন তাঁর কাছে নাইট-মেয়ের। বিশ্বকাপে ভাল ছন্দে থাকার দরুণ তাঁর কাছ থেকে আশা করা হচ্ছিল তিনি আইপিএল-এর তেমন পারফর্ম করবেন কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি। তরুণ আয়ুষ এই ম্যাচে ব্যর্থ হলেন।
আরও পড়ুন: Payal Nag Gold Medal: হাত নেই, পা নেই! অদম্য ইচ্ছে শক্তির জেরেই সোনা জিতল পায়েল
আইপিএল শুরুর আগে যাকে দলে নেওয়া নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠতে থাকে সেই সরফরাজ খান লড়াই চালিয়ে যান। সরফরাজ ২৫ বলে ৫০ করে ফেরেন ড্রেসিং রুমে। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার এবং দুটি ছয়। অন্যদিকে কিছুটা সাপোর্ট দেন প্রশান্ত বীর। তিনি ২৯ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেন। কিন্তু বাকি ব্যাটাররাও দলের জন্য কোনও অবদান রাখতে পারেন না। শেষের দিকে প্রশান্ত বীর, জেমি ওভারটনের (৩৭ রান) ইনিংস না থাকলে CSK ২০০ রানও পার করত না।
বেঙ্গালুরু দলের হয়ে দুরন্ত বোলিং করলেন ভুবনেশ্বর কুমার। ৪ ওভারে ৪১ রান দিলেও তিনটি উইকেট তুলে নেন তিনি। যার মধ্যে রয়েছে আয়ুষ এবং প্রশান্ত বীরের উইকেট। ক্রুনাল পান্ডিয়া নেন দুটি উইকেট। জ্যাক ডাফি নেন দুটি উইকেট। ২০৭ রানে বেঙ্গালুরুর সামনে গুটিয়ে যায় চেন্নাইয়ের ইনিংস (RCB)।


