Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ যেন আরও ঘন হয়ে উঠছে। একদিকে চরম হুমকি, অন্যদিকে শেষ মুহূর্তে কূটনৈতিক তৎপরতা এই দুইয়ের টানাপোড়েনে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্বরাজনীতি (Iran USA war)। ডোনাল্ড ট্রাম্প এর কঠোর ভাষা ও নির্দিষ্ট হামলার সময়সীমা ঘোষণার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। তবে একইসঙ্গে ভেসে উঠছে সম্ভাব্য সংঘর্ষবিরতির কথাও। এই জটিল পরিস্থিতির নানা দিক বিশ্লেষণ করা যাক।

ট্রাম্পের ডেডলাইন কি যুদ্ধের ইঙ্গিত? (Iran USA war)
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানকে যে ভাষায় হুমকি দিয়েছেন, তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অত্যন্ত বিরল। শুধু হুঁশিয়ারিই নয়, তিনি হামলার নির্দিষ্ট দিন ও সময় পর্যন্ত ঘোষণা করেছেন। এই ধরনের সরাসরি “ডেডলাইন ডিপ্লোমেসি” সাধারণত চাপ তৈরি করার কৌশল। উদ্দেশ্য প্রতিপক্ষকে দ্রুত আলোচনার টেবিলে আনানো। কিন্তু এর ঝুঁকিও কম নয়। কারণ, এতে পরিস্থিতি হঠাৎ করে যুদ্ধের দিকেও মোড় নিতে পারে।
৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব (Iran USA war)
মধ্যস্থতাকারী দেশগুলির বিশেষ করে পাকিস্তান, তুরস্ক এবং মিশর তৎপরতায় এখন আলোচনায় এসেছে ৪৫ দিনের একটি সম্ভাব্য সংঘর্ষবিরতি। এই প্রস্তাব অনুযায়ী: প্রথম ধাপে ৪৫ দিন যুদ্ধ বন্ধ থাকবে, এই সময়ের মধ্যে স্থায়ী শান্তিচুক্তির আলোচনা হবে, উভয় পক্ষই সামরিক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে তবে বাস্তবতা হলো এই ধরনের চুক্তি কার্যকর করতে উভয় পক্ষের আস্থা এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি, যা বর্তমানে খুবই অনিশ্চিত।

আরও পড়ুন: Leander Paes Joins BJP: ভোটের আগেই ফুল বদল, ঘাস ফুল ছেড়ে পদ্মে যোগ লিয়েন্ডারের!
সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু
এই সংঘর্ষের মূল কেন্দ্রে রয়েছে হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ। ইরান যদি এই প্রণালী বন্ধ রাখে: বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়বে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, পশ্চিমা দেশগুলির উপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে, এই কারণেই আমেরিকার চাপ এতটা তীব্র।



