Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
বকেয়া ডিএ মামলায় রাজ্যের দেওয়া হলফনামায় যদি কোন আপত্তি থাকে তাকে তাহলে মামলার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত পক্ষকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিলেও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং পি কে মিশ্রর বেঞ্চ। এদিন শুনানিতে আরও কিছুটা সময় চাইল রাজ্য। তাতে সম্মতি জানায় আদালত। ফলে ফের পিছিয়ে গেল ডিএ মামলার শুনানি(DA Case SC)। পরবর্তী শুনানি ৬ মে অর্থাৎ বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন (DA Case SC)
বুধবার ডিএ মামলার শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতকে জানান প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দ্র মালহোত্রা কমিটির সুপারিশ মেনে রাজ্য সরকার কাজ করছে ইতিমধ্যেই সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ বাবদ ৬ হাজার কোটি টাকা মেটানো হয়েছে। যে কর্মচারীদের রেকর্ড রয়েছে, তাঁদেরই বকেয়া মেটানো হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের দেওয়ার নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করা হচ্ছে বলে এদিন আদালতে জানান রাজ্যের আইনজীবী।
আদালত অবমাননার আবেদন
মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন আদালতে অভিযোগ করেন, প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বাধীন কমিটির কাছে তাঁরা তাঁদের বক্তব্য জানাতে পারেনি। কমিটির রিপোর্টও তাঁদের জানানো হয়নি। সেই রিপোর্ট তাঁরা হাতে পাচ্ছেন না। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বিভাজন করা হচ্ছে। কারণেই তাঁরা আদালত অবমাননার আবেদন করেছেন।
রাজ্যের রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে
তার উত্তরে বিচারপতি সঞ্জয় কারোল বলেন, ‘বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া তো শুরু হয়েছে।’ এরপরই বিচারপতি কারোল নির্দেশ দেন, রাজ্যের জমা দেওয়া রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে। এই বিষয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আবেদন জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি।
ফের পিছল শুনানি (DA Case SC)
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পেয়ে কাজ করা হবে বলে এদিন আদালতে জানান রাজ্যের আইনজীবী। পাশাপাশি বলা হয়, কমিটি পরবর্তী রিপোর্ট পেশ করবে এপ্রিলের শেষভাগে। ততদিনের জন্য মুলতুবি করা হোক ডিএ মামলা। সেই আর্জিতে সাড়া দিয়ে ফের পিছল শুনানি।
৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বৃদ্ধির আবেদন (DA Case SC)
ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বকেয়া ডিএ-এর ২৫ শতাংশ অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে হবে। এবং অবশিষ্ট বকেয়া ডিএ-এর ৭৫ শতাংশের প্রথম কিস্তি ৩১ মার্চের মধ্যে দিতে হবে। তবে সেই সময়সীমা চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধির আবেদন জানায় রাজ্য।



