Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মালিতে একযোগে সশস্ত্র জঙ্গি হামলা। এই হানার লক্ষ্য ছিল রাজধানী বামাকোসহ দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক এলাকা(Mali Attack)। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৬টার আগেই প্রায় একই সময়ে বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় সন্ত্রাসের ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রাজধানীর কাছে দুটি বিস্ফোরণ (Mali Attack)
রাজধানীর উপকণ্ঠে কাতি এলাকার প্রধান সামরিক ঘাঁটির কাছে বাসিন্দারা দু’টি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। এর পরপরই শুরু হয় টানা গুলিবর্ষণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত সেনা মোতায়েন করা হয় এবং বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড বসানো হয়।
সেনু সামরিক শিবিরেও হামলা
বামাকো-সেনু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছাকাছি সেনু সামরিক শিবিরেও ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে হামলা শুরু হয়। শুধু রাজধানীই নয়, হামলা ছড়িয়ে পড়ে সেভারে, মোপ্তি, গাও ও কিদালসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। এতগুলো স্থানে একই সময়ে হামলা হওয়ায় এটিকে অত্যন্ত সমন্বিত অভিযান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কিদাল অঞ্চলে তীব্র লড়াই
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বামাকোর প্রধান বিমানবন্দর এবং কাতিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাসভবনও হামলার লক্ষ্য ছিল। কিদাল অঞ্চলে তীব্র লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ও ভারী গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মালির সেনাবাহিনীর বিবৃতি
মালির সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “অজ্ঞাত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী রাজধানী ও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় হামলা চালিয়েছে। বর্তমানে লড়াই চলছে এবং হামলাকারীদের দমন করতে আমাদের বাহিনী সক্রিয়ভাবে অভিযান চালাচ্ছে।” সাধারণ মানুষকে শান্ত ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অজ্ঞাত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে দায়ী (Mali Attack)
২০২০ ও ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা সরকার এই হামলার জন্য “অজ্ঞাত সন্ত্রাসী গোষ্ঠী”কে দায়ী করেছে। তবে কিছু নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, আল-কায়েদা ঘনিষ্ঠ জামাআত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি আজাওয়াদ লিবারেশন ফ্রন্টও উত্তরাঞ্চলে অবস্থান দখলের দাবি করেছে।
আরও পড়ুন: Orissa Dog: সাপের হাত থেকে শিশুদের প্রাণরক্ষা: মৃত পথকুকুরকে হিরোর সম্মানে শেষ বিদায়
মার্কিন যোগের চেষ্টা (Mali Attack)
রাশিয়ার নিরাপত্তা সহায়তার ওপর নির্ভরশীল মালির সরকার সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গেও গোয়েন্দা সহযোগিতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে, যা এই জটিল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।



