Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভিভাবক যখন ভক্ষক রুপি দানব। সম্পর্কের পবিত্রতাকে কলঙ্কিত করে দশম শ্রেণির এক নাবালিকা নাতনিকে লাগাতার ধর্ষণ এবং পরবর্তী সময়ে তাকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগ উঠল খোদ দাদুর বিরুদ্ধে (Tripura)। শিউরে ওঠার মতো এই ঘটনাটি ঘটেছে ত্রিপুরা সিপাহীজলা জেলা সোনামুড়া থানার অন্তর্গত চন্দনমুড়া এলাকায়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দাদু প্রাণ বল্লভ দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে (Tripura)
মৃত নাবালিকা চন্দনমুড়া এলাকার একটি স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মেয়েটির মা নেই এবং বাবা কর্মসূত্রে সুদূর চেন্নাইতে থাকেন। ফলে বাড়িতে দাদু ও ঠাকুমার সঙ্গেই থাকত সে। অভিযোগ, এই সুযোগেই দীর্ঘদিন ধরে নাতনির ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিল অভিযুক্ত দাদু প্রাণ বল্লভ দাস। অসহ্য হয়ে ওঠা এই নির্যাতনের কথা দিনকয়েক আগে নিজের এক বান্ধবীকে জানায় ওই নাবালিকা।
অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (Tripura)
লোকলজ্জার ভয় এবং অপরাধ ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় গত বুধবার মেয়েটিকে শ্বাসরোধ করে খুন করে, অভিযুক্ত দাদু প্রাণ বল্লভ দাস। ওই বান্ধবী বাড়িতে এসে নাবালিকা মেয়েটির ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায়। খবর দেওয়া হয় সোনামুড়া থানায়। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। প্রাথমিকভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিশ।

দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি
পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই অভিযুক্ত দাদু প্রাণ বল্লভ দাসের কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পুলিশের দাবি, কড়া জেরার মুখে ভেঙে পড়ে অভিযুক্ত দাদু নাতনিকে ধর্ষণ ও খুনের কথা স্বীকার করেছে। এরপরই তাকে গ্রেফতার করা হয়। এই পৈশাচিক ঘটনায় গোটা সোনামুড়া মহকুমায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন। একজন অভিভাবক ও আশ্রয়দাতার হাতে নাতিনের এই পরিণতি আধুনিক সমাজের নৈতিক অবক্ষয়কেই আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে।



