Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একাধিক প্লেয়ার চোট-আঘাতে নামতে পারেননি আইপিএল-এ আর সেই কারণেই বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে দলগুলিকে (IPL)।
দলগুলির আর্থিক ক্ষতি (IPL)
আইপিএল-এর খেতাব জয়ের রাস্তা তৈরি হয়ে যায় নিলাম টেবিল থেকেই। সেখানে কোন প্লেয়ারকে ছাড়া হল আর কোন প্লেয়ারকে দলে নেওয়া হল তার উপর নির্ভর করে অনেক কিছুই। সুতরাং নিলাম টেবিলেই যে খেতাব জয়ের রূপরেখা তৈরি হয়ে যায় সেটা বলাই বাহুল্য (IPL)।
পরিকল্পনা এক থাকলেও সেগুলো পাল্টে যেতে সময় লাগে না। এবার আইপিএল-এ বড় আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে সব দলগুলিকে। নিলামের পরিকল্পনা এবার কাজেই লাগাতে পারছে না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি। কারণ অধিকাংশ প্লেয়ার চোট-আঘাতে জর্জরিত। অনেক প্লেয়ার পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে গেছেন আবার অনেকে এখনও পর্যন্ত মাঠেই নামতে পারেননি। এমন কি তাঁরা কবে নামতে পারবেন সেই নিয়েও কোনও নিশ্চিয়তা নেই।

কোনও কোনও প্লেয়ার চোট কাটিয়ে উঠলেও ফিটনেস সমস্যার কারণে এখনও মাঠে নামতে পারেননি আর সেই তালিকায় রয়েছে অনেক বড় বড় তারকার নাম। যার মধ্যে অন্যতম বড় নাম এমএস ধোনি। তিনি যে এই আইপিএল-এ আর নামতে পারবেন কিনা সেটাও কেউ বলতে পারছে না। সূত্রের খবর অনুযায়ী যে ক্রিকেটারদের পাওয়া যাচ্ছে না তাঁদের মোট মূল্য ৫৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা। তবে একদিকে যেমন হয়েছে আর্থিক ক্ষতি তেমন তাঁরা না থাকায় দলের পারফরম্যান্সেও প্রভাব পড়েছে (IPL)।

আইপিএল-এর মিনি নিলামের আগে কলকাতার কাছে ছিল সবথেকে বেশি টাকা যার পরিমাণ ৬৪ কোটি ৩০ লাখ। সেই সময় নাইট কতৃপক্ষ যে দল তৈরি করেছিলেন সেই সময় যথেষ্ট ভারসাম্য যুক্ত দল মনে হলেও পরে সেই পরিকল্পনা ধাক্কা খায়। সেই সময় দলে নেওয়া হয় বাংলাদেশের তারকা পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে। কিন্তু ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কারণে তাঁকে ছাড়তে বাধ্য হয় নাইট শিবির। তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছিল ৯ কোটি ২০ লাখ টাকায়। এর আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন হর্ষিত রানা। ৪ কোটি টাকায় তাঁকে রিটেন করেছিল নাইট শিবির। অন্যদিকে লঙ্কান পেসার পাথিরানাকে দলে নেওয়া হয়েছিল ১৮ কোটি টাকায়। শুরুর দিকে চোটের কারণে আসতে পারেননি তিনি। অবশেষে শিবিরে যোগ দিলেও এখনও পর্যন্ত মাঠে নামেননি। সবটা মেলালে প্রায় ৩১ কোটি ২০ লাখ টাকা জলে গিয়েছে কলকাতার।

আরও পড়ুন: Diljit Dosanjh: বিনোদন ছেড়ে রাজনীতির মাঠে! পাঞ্জাব নির্বাচনের প্রার্থী দিলজিৎ?
অন্যদিকে স্যাম কাড়েন খেলতে পারছেন না। আবার বিভিন্ন কারণে খেলতে পারছেন না খলিল আহমেদ, নাথান এলিস এবং আয়ুস মাত্রে। তাঁদের সম্মিলিত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬ কোটি টাকা। ধোনি এখনও নামতে পারেননি। আবার মুম্বই দলের হয়ে ছিটকে গিয়েছেন উইল জ্যাকস এবং মিচেল স্যান্টনার। অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলেউড, ক্যামেরন গ্রিনদের গোটা টুর্নামেন্টে ১০০ শতাংশ পাওয়া যায়নি। এই তালিকায় রয়েছে আকাশ দীপ, বেন ডাকেটের মত প্লেয়াররা। সব মিলিয়ে বেকায়দায় আইপিএল-এর ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি (IPL)।


