Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চলতি আইপিএল-এর প্লে-অফের দৌড়ে আজকের ম্যাচ ছিল আরসিবি এবং কেকেআর, দুই দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। কলকাতার বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে জয় তুলে নিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (KKR vs RCB)।
চেজ মাস্টারের কাছে হার কলকাতার (KKR vs RCB)
চলতি মরশুমের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ প্রায় শেষের দিকে। প্লে-অফের লড়াই এখন জমে উঠছে। শুরুর দিকে যেখানে মনে করা হচ্ছিল কলকাতার আইপিএল জার্নি বোধহয় শেষ ঠিক সেই সময় থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে নাইট বাহিনী। তবে প্লে-অফের জন্য তাদের জিততে হবে সবকটা ম্যাচ। সেই আবহেই বুধবার বিরাটদের বিরুদ্ধে মরণ বাঁচন ম্যাচের আগে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় বৃষ্টি। এই মরশুমের কলকাতা বনাম পাঞ্জাবের ম্যাচ ভেস্তে গেছিল এই বৃষ্টির চোখ রাঙানিতে (KKR vs RCB)।

আরও পড়ুন: Topsia Fire: ভয়াবহ আগুনের পর শুভেন্দুর কড়া বার্তা
‘Form is temporary, class is permanent’, কথাটা যাঁর জন্য প্রযোজ্য তিনিই বিরাট, তিনিই কিং। বারবার নিজেকে যেভাবে প্রমাণ করে চলেছেন তাতে আজও বিস্ময় জাগে ক্রিকেটেপ্রেমীদের মধ্যে তাঁর বয়স নিয়ে। আজও সেই আগের কোহলি, যাঁর বিরাট আগ্রাসন। তাঁর শাসনে বারবার পরাজয় স্বীকার করতে হয় বিপক্ষের বোলারদের।
পরপর দুই ম্যাচে খাতা খুলতে পারেননি বিরাট। এই দুই ম্যাচের জন্য নিন্দুকরা ট্রোল করতেও ছাড়েনি কোহলিকে। তবে রাজা যে রাজাই থাকেন সেটা আবারও প্রমাণ হল আজকের ম্যাচে। সিঙ্গেলস নিয়ে শূন্যর গণ্ডি পেরিয়ে উচ্ছ্বাসই এই দিন বুঝিয়ে দিয়েছে ম্যাচের ফলাফল। বিরাট আগ্রসনে কুপোকাত হতে হল কেকেআর-কে। ১০৫ রানে অপরাজিত থেকে প্রমাণ করলেন কেন তিনি চেজ মাস্টার, কেন তিনি কিং (KKR vs RCB)।
বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে টস জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় আরসিবি। কলকাতার দুই ওপেনার দ্রুত ফেরায় চাপে পড়ে যায় নাইটরা। সেখান থেকে দলের হাল ফেরান অঙ্গকৃষ রঘুবংশী ও গ্রিন। দুজন ৬৮ রানের জুটি গড়েন। গ্রিন ফেরেন ৩২ রানে।
গ্রিন ফিরলেও একটা প্রান্ত আগলে ম্যাচ এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন অঙ্গকৃষ। ৩২ বলে পূর্ণ করেন নিজের হাফ সেঞ্চুরি। পাঁচে নেমে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন রিঙ্কু সিংও। ৭৬ রানের জুটি গড়েন তাঁরা। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন রঘুবংশী। ৪৬ বলে ৭১ রান করে আউট হন তিনি। তাঁর এই ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও তিনটি ছক্কা। ২৯ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। ৪ উইকেটে ১৯২ তোলে KKR।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে বিরাট একাই তখন রাজা। একের পর এক ক্লাসিক শটে বুঝিয়ে দিলেন কেন তিনি সেরা চেজ মাস্টার। যে কোন রান চেজ করার সময় কোহলি যে বিরাট রূপ ধারণ করেন সেটার সাক্ষী থাকল ক্রিকেটবিশ্ব। পাঁচ বল বাকি থাকতেই জয় ছিনিয়ে নিল একা বিরাট। সত্যজিৎ রায়ের ভাষায় বলতে গেলে বলতে হবে ‘মহারাজা তোমারে সেলাম’। এই ম্যাচ হেরে কলকাতার প্লে-অফের আশা এখন মাঝ গঙ্গায় (KKR vs RCB)।


