Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার (Suvendu In Belur) পর থেকেই একের পর এক প্রশাসনিক বৈঠক, কড়া সিদ্ধান্ত ও দ্রুত পদক্ষেপে চর্চায় শুভেন্দু অধিকারী। তবে ব্যস্ত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সূচির মাঝেও তিনি যে আধ্যাত্মিকতার দিকটিকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন, তারই ইঙ্গিত মিলল বৃহস্পতিবারের বেলুড় মঠ সফরে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম বেলুড় মঠে গিয়ে রামকৃষ্ণ মিশনের সন্ন্যাসীদের আশীর্বাদ নিলেন তিনি।
বেলুড় মঠে শ্রদ্ধা (Suvendu In Belur)
বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়ার প্রশাসনিক (Suvendu In Belur) বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে শুভেন্দু পৌঁছে যান বেলুড় মঠে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঠে পৌঁছতেই সন্ন্যাসী ও দর্শনার্থীদের তরফে উষ্ণ অভ্যর্থনা পান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তিনি প্রথমে যান শ্রীরামকৃষ্ণের মূল মন্দিরে। সেখানে প্রণাম জানানোর পাশাপাশি আরতিতেও অংশ নেন। পরে একে একে স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত কক্ষ, স্বামী ব্রহ্মানন্দের মন্দির এবং মা সারদাদেবীর মন্দিরে গিয়েও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
মঠ সূত্রে খবর,
সবশেষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শুভেন্দু। প্রবীণ সন্ন্যাসীর পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নেন তিনি। বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিগত আলাপও হয় বলে জানা গিয়েছে। মঠ সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: Rudranil With Technicians: ‘রাজনীতি নয়, কাজ চাই’-টেকনিশিয়ানদের পাশে দাঁড়িয়ে আশ্বাস রুদ্রনীলের
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রশাসনিক তৎপরতার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক ক্ষেত্রেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মতো তিনিও রামকৃষ্ণ ভাবধারার সঙ্গে নিজেকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করার বার্তা দিলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।


