Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্য আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে(Ebola WHO)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে বাড়তে প্রায় ৫০০-র কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারলে এটি বড় আকারের মহামারিতে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ইবোলা (Ebola WHO)
শনিবার প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে ডব্লিউএইচও জানায়, গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে এখন পর্যন্ত ৪৫২ জনের ইবোলা সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তিন সপ্তাহ আগে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়েছিল।
অন্যদিকে প্রতিবেশী উগান্ডায় ১৯টি সংক্রমণ এবং ২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। ফলে দুই দেশ মিলিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭১ এবং মৃতের সংখ্যা ৮৪।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হল, মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও ১০০টি নতুন সংক্রমণ এবং ২০টি মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এই দ্রুত বৃদ্ধি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যেই এই প্রাদুর্ভাবকে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে। মার্কিন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারাও সতর্ক করে বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে এটি ২০১৪-২০১৬ সালের পশ্চিম আফ্রিকার ভয়াবহ ইবোলা সংকটের মতো আকার ধারণ করতে পারে। সেই সময় ২৮ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং ১১ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
বর্তমান প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী বুন্ডিবুগিও প্রজাতির ইবোলার বিরুদ্ধে এখনও কোনো অনুমোদিত টিকা বা কার্যকর চিকিৎসা নেই। ফলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ডব্লিউএইচও এবং আফ্রিকান সিডিসি ছয় মাসের জন্য ৫১৮ মিলিয়ন ডলারের একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা চালু করেছে। এর আওতায় নজরদারি, পরীক্ষাগার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে(Ebola WHO)।
ডব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেছেন, “প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়াচ্ছে, আর আমরা এখনও তা ধরার চেষ্টা করছি(Ebola WHO)। এখনই দ্রুত ও সমন্বিত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।”



