Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দীর্ঘদিন ধরে ইনভেস্টর সমস্যায় ভুগছিল এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাব (Mohammedan SC)।
মহামেদানের শীর্ষে হুমায়ুন কবীর (Mohammedan SC)
ভারতের বিশেষ করে বাংলার ফুটবলে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের পাশাপাশি ঐতিহ্য প্রাচীন ক্লাব মহামেডান। বহু সংগ্রামের পর এই ক্লাবের উত্থান হয়েছিল। এরপর দলের সাফল্য আকাশ ছুঁয়েছিল। যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়েছিল সেগুলো পূর্ণ হতে বেশি সময় লাগেনি। এই দলের স্বর্ণযুগ ছিল ১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত। এর মধ্যেই ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ জয় ছিল দলের অন্যতম সাফল্য। তবে আশির দশকের পর থেকে এই দলের পতন শুরু হতে থাকে। এ মুহূর্তে ক্লাবটির হারিয়ে যাচ্ছিল অন্ধকার অতলে। সেখান থেকে আবার পুনর্জন্মের আশায় বুক বাড়ছে মহামেডান (Mohammedan SC)।
বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন দল গড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। শুধু নতুন দল গড়ে লড়াই নয় জিতেও তিনি কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিরোধীদের। এবার ফুটবল ময়দানেও কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে প্রস্তুত তিনি। মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি হচ্ছেন হুমায়ুন কবীর। শনিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের সভাপতি ঘোষণা করা হল। মহামেডান তাঁবুতে তাঁকে সংবর্ধিত করাও হয়।

দীর্ঘদিন ধরেই ক্লাবের অবনমন আটকাতে পারেনি কেউ। শুধু মাঠে অবনমন নয় ইনভেস্টর নিয়েও নানান সমস্যায় জর্জরিত ছিল এই ক্লাব। এই দিন দলের দায়িত্ব নিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন দলের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করার কথা। এর পাশাপাশি তিনি জোর দিয়েছেন ক্লাবের জন্য ইনভেস্টর খোঁজার দিকেও (Mohammedan SC)।
তবে সভাপতির পদ তাঁকে দেওয়া হলেও, বাকি পদ নিয়ে আলোচনা চলছে। স্বাভাবিকভাবেই কয়েকটি পদ নিজেদের দখলে রাখতে চাইছেন মহমেডান কর্তারা। কার্যনির্বাহী সভাপতির পদে থেকে যাবেন মহম্মদ কামারুদ্দিন। বেশ কয়েকদিন ধরেই সভাপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন আমিরউদ্দিন ববি।

ক্লাব আইএসএল খেললেও, তিনি কোনও স্পনসর আনতে ব্যর্থ হন। মূলত এই কারণেই পদ ছাড়ার কথা ভাবেন আমিরউদ্দিন ববি। কয়েকদিন আগে মহমেডান তাঁবুতে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন দলের কর্তারা। সেখানে স্পনসর বা ইনভেস্টর আনার জন্য নওসাদ সিদ্দিকী, হুমায়ুন কবীরের দ্বারস্থ হন।
হুমায়ুন কবীর প্রসঙ্গে ববি বলেন, ‘ক্লাব শেষ হয়ে যায়নি। হুমায়ুন ভাই ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। আমরা মনে করেছি, তাঁর নেতৃত্বে ক্লাবের উন্নতি হবে। তাই তাঁকেই সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।’ আমিরুদ্দিন ববি আরও জানান, নির্বাচিত সদস্য এবং লাইফ মেম্বার হিসেবে ক্লাবের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকবেন (Mohammedan SC)।
সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘দু’-চারজন মিলে ক্লাব চালানো সম্ভব নয়। যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়। তবে ব্যক্তিগত আক্রমণের রাজনীতি না করে, সমর্থকদের ক্লাবের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখা উচিত (Mohammedan SC)।’
আরও পড়ুন: Agnimitra Paul: আসানসোলে শুরু ‘অ্যাড মাই বিন’ অভিযান, প্রতি ১০০ মিটারে বসবে ডাস্টবিন!
ক্লাবের আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়ে হুমায়ুন বলেন, ‘বর্তমানে ক্লাবের মোট দেনা ১৩ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা। এক মাসের মধ্যে সব মেটানো সম্ভব নয়। তবে আগামী এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে বকেয়া টাকার অন্তত ৫০ শতাংশ পরিশোধ করার চেষ্টা করা হবে। বাকি অর্থ ধাপে ধাপে মিটিয়ে দেওয়া হবে (Mohammedan SC)।’
তিনি আরও জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে আলোচনা করেই ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানান নতুন সাদা-কালো সভাপতি। নতুন সভাপতির হাত ধরে এই সংকট কাটিয়ে পুরোনো গৌরব ফিরিয়ে আনার আশায় ক্লাব কর্তারা (Mohammedan SC)।
মহামেদানের শীর্ষে হুমায়ুন কবীর : ভারতের বিশেষ করে বাংলার ফুটবলে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগানের পাশাপাশি ঐতিহ্য প্রাচীন ক্লাব মহামেডান। বহু সংগ্রামের পর এই ক্লাবের উত্থান হয়েছিল। এরপর দলের সাফল্য আকাশ ছুঁয়েছিল। যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্লাবের যাত্রা শুরু হয়েছিল সেগুলো পূর্ণ হতে বেশি সময় লাগেনি। এই দলের স্বর্ণযুগ ছিল ১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত। এর মধ্যেই ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ জয় ছিল দলের অন্যতম সাফল্য। তবে আশির দশকের পর থেকে এই দলের পতন শুরু হতে থাকে। এ মুহূর্তে ক্লাবটির হারিয়ে যাচ্ছিল অন্ধকার অতলে। সেখান থেকে আবার পুনর্জন্মের আশায় বুক বাড়ছে মহামেডান।
বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন দল গড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। শুধু নতুন দল গড়ে লড়াই নয় জিতেও তিনি কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন বিরোধীদের। এবার ফুটবল ময়দানেও কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে প্রস্তুত তিনি। মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সভাপতি হচ্ছেন হুমায়ুন কবীর। শনিবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের সভাপতি ঘোষণা করা হল। মহামেডান তাঁবুতে তাঁকে সংবর্ধিত করাও হয়।
দীর্ঘদিন ধরেই ক্লাবের অবনমন আটকাতে পারেনি কেউ। শুধু মাঠে অবনমন নয় ইনভেস্টর নিয়েও নানান সমস্যায় জর্জরিত ছিল এই ক্লাব। এই দিন দলের দায়িত্ব নিয়ে হুমায়ুন কবীর বলেন দলের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করার কথা। এর পাশাপাশি তিনি জোর দিয়েছেন ক্লাবের জন্য ইনভেস্টর খোঁজার দিকেও।
তবে সভাপতির পদ তাঁকে দেওয়া হলেও, বাকি পদ নিয়ে আলোচনা চলছে। স্বাভাবিকভাবেই কয়েকটি পদ নিজেদের দখলে রাখতে চাইছেন মহমেডান কর্তারা। কার্যনির্বাহী সভাপতির পদে থেকে যাবেন মহম্মদ কামারুদ্দিন। বেশ কয়েকদিন ধরেই সভাপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন আমিরউদ্দিন ববি।
ক্লাব আইএসএল খেললেও, তিনি কোনও স্পনসর আনতে ব্যর্থ হন। মূলত এই কারণেই পদ ছাড়ার কথা ভাবেন আমিরউদ্দিন ববি। কয়েকদিন আগে মহমেডান তাঁবুতে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেন দলের কর্তারা। সেখানে স্পনসর বা ইনভেস্টর আনার জন্য নওসাদ সিদ্দিকী, হুমায়ুন কবীরের দ্বারস্থ হন।


