Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বকাপের ইতিহাসে যদি সবচেয়ে বড় অঘটনগুলির কথা ধরা হয় ২০০২ সালের বিশ্বকাপের কথা বলতেই হবে (Senegal vs France)।
ইতিহাসের স্মৃতিতে ফ্রান্স-সেনেগাল (Senegal vs France)
বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ফ্রান্স এবং সেনেগাল তবে আফ্রিকার এই দেশটি যেবার বিশ্বকাপের মঞ্চে পদার্পন করে সেই বছরই হারিয়ে দিয়েছিল ফ্রান্সকে। ফ্রান্স ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হয়েই বিদায় নিয়েছিল সেইবার গ্রুপ পর্ব থেকে (Senegal vs France)। এবার কি আবার তেমন কোনও অঘটন ঘটতে চলেছে?
সেনেগালের বর্তমান কোচ পাপে থিয়াউ সেই ঐতিহাসিক ২০০২ সালের সেই ম্যাচের অংশ ছিলেন। যদিও মাঠে নামেননি, ছিলেন বদলি খেলোয়াড়ের তালিকায়। কিন্তু সেই সুখস্মৃতি এখনও সতেজ আর সেই বারুদে ভর করেই চাইবে আজকেও প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সকে হারাতে। এবারও প্রথম ম্যাচে সামনে ফ্রান্সকে পেয়ে থিয়াউ সেই ম্যাচের স্মৃতিতে ভর করে খুঁজছেন অনুপ্রেরণা। অনুপ্রেরণা শুনলে বঙ্গবাসী যে কথাটার আগে ভাবেন এটা তেমন নয়। এখানে রয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নকে বিশ্বকাপের মঞ্চে পরাজিত করে যে শক্তি এবং আত্মবিশ্বাস পেয়েছিল আফ্রিকার এই দেশ তার থেকেই তুলে আনা অনুপ্রেরণার রসদ।

বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত ওই একবারই মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। সেই হিসেবে দেখলে ২০০২ সালের বদলা এখনও নিতে পারেনি ফ্রান্স। ফ্রান্স দলের কোচ বলেন, ‘এই ম্যাচে আমি কোচ হিসেবে ডাগআউটে থাকব, এটা আমার জন্য বিশেষ এক অনুভূতি। ২০০২ সালেও আমি বেঞ্চে ছিলাম, কিন্তু ম্যাচে সরাসরি কোনো প্রভাব রাখতে পারিনি। এবার আমার উপর বিশাল দায়িত্ব’ (Senegal vs France)।
এই ম্যাচের আগে আরেকটি বিস্বয় বাড়তি প্রেরণা হিসেবে কাজ করতে পারে আর সেটা হল গত আফ্রিকা কাপ অব ন্যাশনসের বিতর্কিত ফাইনাল। সেখানে শুরুতে তাঁদের চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হলেও পরে সিদ্ধান্ত বদলে মরক্কোকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয়। ফলে সেনেগাল দলের কাছে আবার সুযোগ রয়েছে বিশ্ব মঞ্চে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করার। থিয়াউ বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আফ্রিকান ফুটবলে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। গত বিশ্বকাপেও আমরা সেটি দেখেছি। সেনেগাল যদি ফ্রান্সকে হারায় সেটিকে কি আর চমক বলা যায়? আমার মনে হয় বলা যায় না। কারণ আমাদেরও অনেক বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে’।
আরও পড়ুন: Kashi Biswanath Corridor: কাশী বিশ্বনাথ করিডর: বদলে গেল বারাণসীর তীর্থযাত্রার চেহারা
যদি খাতায় কলমে ধরা হয় তবে সেনেগালের থেকে এগিয়ে থাকবে ফ্রান্স। মার্কিন সরকারের ভিসা নীতির কারণে আফ্রিকার এই দেশের সমর্থকরা থাকতে পারবেন না গোড়ালি জুড়ে। নিজেদের সমর্থকদের ছাড়া মাঠে নামবে সেনেগাল কিন্তু তাতে কী? সেই সকল সমরর্থকদের ভালবাসা এবং পূর্ণ সমর্থন থেকে কোনও নীতি বন্চি করতে পারবে না। একদিকে সেনেগালের লক্ষ্য থাকবে ২০০২ সালের ইতিহাস পুনরাবৃত্তি করার আর ফ্রান্সের লক্ষ্য থাকবে ২০০২ সালের বদলা নেওয়া (Senegal vs France)।


