Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতীয় মেয়েরা এই ম্যাচে চার-চারটি ক্যাচ ফেললেন (INDW)। পাওয়ার প্লে-র মধ্যে চারটি ক্যাচ ফেলল ভারত।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে খুঁড়িয়ে জয় ভারতের (INDW)
একদিকে যেমন ফুটবল বিশ্বকাপ চলছে জোরকদমে তেমন অন্যদিকে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ফুটবল বিশ্বকাপে যেখানে ছোট ছোট দলগুলি আপ্রাণ লড়াই চালাচ্ছে সেখানে ভারতীয় দল একের পর এক ক্যাচ মিস করে খারাপ ফিল্ডিংয়ের প্রদর্শনী করল বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। কোনও মতে জয় পেলেও সেই জয় মোটেও স্বস্তির নয়। ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতের এহেন পারফর্ম মোটেও কাম্য নয় (INDW)।
এক বা দুই নয়, চার-চারটি ক্যাচ ফেলল ভারতের মেয়েরা। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতীয় ফিল্ডারেরা বোধহয় প্রমাণ করতে নেমেছিলেন কে বেশি ক্যাচ ফেলতে পারেন, কিছুটা যেন পাকিস্তান দলের ছায়া ভারতের দলের উপর। পাওয়ার প্লে-র মধ্যে চারটি ক্যাচ ফেলল ভারত। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতল বটে। সেটাও ধুঁকতে ধুঁকতে। প্রথমে ব্যাট করে ১৩৬ তুলেছিল বাংলাদেশ ৮ উইকেট হারিয়ে। জবাবে পাঁচ উইকেটে জিতেছে ভারত (INDW)।
এর আগে প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে খারাপ ফিল্ডিংয়ের কারণেই হারতে হয়েছিল ভারতকে। সেই ম্যাচ থেকে শিক্ষা নিলে এই ম্যাচে এমন মিস বোধহয় হত না। চারটি ক্যাচই তুলনায় সহজ হলেও ধরতে পারেননি ভারতের ফিল্ডারেরা। নন্দনী শর্মা, যস্তিকা ভাটিয়া এবং রাধা যাদব ক্যাচগুলি ফেলেন। রাধা দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও দু’টি সহজ ক্যাচ ফেলেছিলেন।
আরও পড়ুন: Jaishankar Economy: বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘জিরো-সাম গেম’ হিসেবে দেখা বিপজ্জনক, সতর্কতা জয়শঙ্করের
মহিলাদের টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে ভারত প্রথম দল, যারা প্রথম পাঁচ ওভারে চারটি ক্যাচ ফেলেছে। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার পাওয়ার প্লে-র মধ্যে তিন বা তার বেশি ক্যাচ পড়েছে ভারতের। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারত পাওয়ার প্লে-র মধ্যে ক্যাচ পড়েছিল তিনটি (INDW)।
ভারতের এমন ভুলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হন বাংলাদেশের জুরাইয়া ফিরদৌস। পঞ্চম ওভারে তিন বার ক্যাচ পড়ে তাঁর, এই দিন যেন ভাগ্য তাঁর সঙ্গ দিচ্ছিল। বেশ কয়েকটি চার মেরে ৩১ বলে ৩৩ রান করেন তিনি। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি, ভাগ্যের সঙ্গত পেলেও সেটাকে কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। পিচের মাঝ দিয়ে দৌড়নোর কারণে দু’বার সতর্ক করা হয়েছিল নন্দনীকে। তিনি পর পর দুই বলে ফিরদৌস এবং শোভনা মোস্তারির ক্যাচ ফেললেও একটি ভাল ক্যাচ ধরে ফিরদৌসকে ফেরান এই ব্যাটারকে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ভারতের কাছে ছিল মরণ বাঁচন ম্যাচ। শেষ ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে হবে ভারতকে। এই মেগা মঞ্চে সব বিভাগেই ভারতের খামতি এবার লক্ষ্যণীয়। পেস বিভাগ বার বার বদল করা হয়েছে। এ দিন ক্রান্তি গৌড়কে বসিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর জায়গায় আসা রেণুকা ঠাকুর প্রথম ওভারেই ফেরান ওপেনার দিলারা আক্তারকে। ২০তম ওভারে ভাল বল করেন চরণী। দু’টি উইকেট দেন মাত্র তিন রান দিয়ে। ফিল্ডিং খারাপ হলেও রাধা বল হাতে ম্যানেজ দিয়েছেন। ২৮ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
মাত্র ১৩৭ রান তুলতেও ভারত হারায় পাঁচটি উইকেট। স্মৃতি মন্ধানা (৮) তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান। যস্তিকা (২৩), রিচা ঘোষ (১০), জেমাইমা রদ্রিগেজ (২৬) মাটি আঁকড়ে পড়ে থাকতে পারেননি। একমাত্র লড়াকু ব্যাটিং করেন শেফালি। আটটি চার এবং একটি ছয়ের সাহায্যে ৩৪ বলে ৫৩ করেন তিনি। ক্রিজে অপরাজিত থেকে ভারতকে জিতিয়ে দেন হরমনপ্রীত (১৩) এবং দীপ্তি শর্মা (৫)। যতই ম্যাচ জিতুক এই পারফরমেন্স চিন্তায় রাখবে ভারতীয় দলকে।


