Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লিকে গুঁড়িয়ে দিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক SRH-এর (Sunrisers Hyderabad)।
অভিষেকের তাণ্ডবে ছারখার দিল্লি (Sunrisers Hyderabad)
হাওয়ায় গরমের মাত্রা দিনদিন বেড়ে চলেছে আর তার মধ্যে রয়েছে ভোটের উত্তেজনা। তার মধ্যেই দিল্লিকে পরাস্ত হতে হল হায়দরাবাদের কাছে তাও আবার ভোটের ফলাফলের আগে। না, এটা ভোটার রেজাল্ট না। ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্রাঞ্চাইজি লিগ আইপিএল-এর গল্প। একদিকে তখন ব্যাট হাতে তাণ্ডব দেখালেন অভিষেক শর্মা আর বল হাতে কামাল করলেন মালিঙ্গা (Sunrisers Hyderabad)।
ইংল্যান্ড ক্রিকেটে বাজ বলের দাপট ক্রিকেট বিশ্ব দেখেছে। টেস্টে ততাকথিত রক্ষনাত্মক না খেলে আক্রমণাত্মক মেজাজে বিপক্ষের উপর চাপ সৃষ্টি করাই এর প্রধান লক্ষ্য। তবে এই বাজ বলের সঠিক ব্যবহার করে দেখিয়েছেন অবসিযেক শর্মা। ক্রিকেটে যবে থেকে তাঁর আত্মপ্রকাশ তবে থেকেই যেন তিনি বাজ বল খেলে আসছেন। অভিষেকের আক্রমণের সামনে তখন বিপক্ষ দল দিশেহারা। আকাশের যে কোনও সীমা নেই সেটা অভিষেকের জানা। তাই তাঁর সব বলের ঠিকানা বাউন্ডারি লাইনের বাড়ির।
এর আগেও সাক্ষাৎকারে অভিষেক শর্মা জানিয়েছিলেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বড় রান করায় বিশ্বাসী তিনি। এবার সেটাই করে দেখালেন এই বিধ্বংসী ওপেনার। দিল্লির বিরুদ্ধে খেললেন অতিমানবীয় ইনিংস। করলেন ৬৮ বলে ১৩৫ রান। বলা যায় এখানেই ম্যাচ হেরে যায় দিল্লি। সেই দেওয়াল লিখন সত্যি করে ৪৭ রানে হারতে হল কেএল রাহুলদের (Sunrisers Hyderabad)।

আবার হায়দরাবাদের হয়ে অভিষেক শর্মা ছাড়া কেউ রান পাননি। আবার তাঁর ১৩৫ রানের পর এমনিও কি আর কিছু বাকি ছিল দিল্লির বোলারদের? ততক্ষণে তাঁরা বিচ্ছিন্ন। তাঁর এই অতিমানবীয় ইনিংসে ছিল ১০ টি চার এবং ১০ টি ছয়। শেষ পর্যন্ত ক্লাসেনের সঙ্গে অপরাজিত থাকেন তিনি। ক্লাসেন করেন ১৩ বলে ৩৭।

দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলিং নিয়ে বলার মত শব্দ বোধহয় কেউই খরচ করতে চাইবেন না। দুটোর মধ্যে একটি উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল। কুলদীপ যাদব ২ ওভারে দেন ৩০ রান (Sunrisers Hyderabad)।
রান তাড়া করতে নেমে দিল্লির ওপেনিং জুটি দ্রুত ভাঙার পর নীতিশ রানা এবং কেএল রাহুল করেন ৮৬ রান। অভিষেক শর্মার অতিকায় ইনিংসের কাছে রাহুলের ২৩ বলে ৩৭ রান সম্পূর্ণ ফ্লপ। নীতিশ রানা ৫৭ করেন এবং সমীর রিজভি ২৮ বলে ৪১ রানের ইনিংস খেললেও ম্যাচে এর কোনও প্রভাব পড়েনি। অন্যদিকে অভিষেক ঝড়ের পর হায়দরাবাদের মালিঙ্গা একাই পতন ঘটিয়ে দেয় দিল্লির সাম্রাজ্যের। বল হাতে যেন তখন তিনি রুদ্র মূর্তি ধারণ করেছেন। তাঁর দাপটে দিল্লির দুর্গ ভেঙে পড়তে থাকে বালির কেল্লার মত।
আরও পড়ুন: Actor Sudip Sarkar: শুটিং চলাকালীন অসুস্থ অভিনেতা, কেমন আছেন সুদীপ?
ব্যাট হাতে নায়ক যদি অভিষেক হন তবে বল হাতে নায়ক এশান মালিঙ্গা। চার ওভার বল করে ৩২ রান দিয়ে তুলে নিলেন ৪ উইকেট। তিনটে উইকেট নেন হর্ষ দুবে। তিনি দুই ওভার বল করে খরচ করেন মাত্র ১২ রান। ২০ ওভারের শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে দিল্লির ইনিংস থামে ১৯৫ রানে। দিল্লির বিরুদ্ধে এই ম্যাচ জিতে জয়ের হ্যাটট্রিক করল হায়দরাবাদ। তারা এখন রয়েছে তৃতীয় স্থানে (Sunrisers Hyderabad)।


