Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে (PoK) সরকারবিরোধী বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার রাওয়ালাকোটের ঈদগাহ ময়দানে বিক্ষোভকারীরা প্রকাশ্যে ইসলামাবাদের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দাবি করেন, “পিওকে পাকিস্তানের অংশ নয়।(POK Islamabad)” একই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, জরুরি খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ বন্ধ থাকলে তারা বেঁচে থাকার জন্য “অন্য পথ” খুঁজতে বাধ্য হবেন।
‘POK পাকিস্তানের অংশ নয়’ (POK Islamabad)
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, আন্দোলন দমাতে পাকিস্তান সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে খাদ্য, রেশন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহে বাধা দিচ্ছে। তাদের দাবি, সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পিওকের নেতা সর্দার আমান খান বলেন, “আমাদের রেশন দরকার নেই, আপনাদেরই আমাদের দরকার।” তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি খাদ্য সরবরাহ অব্যাহতভাবে বন্ধ রাখা হয়, তাহলে মানুষ বিকল্প পথ বেছে নিতে বাধ্য হবে।
এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে জম্মু কাশ্মীর আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC)। পাকিস্তান সরকার সম্প্রতি সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফের এক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে। তিনি রাওয়ালাকোট ও মিরপুরের বাসিন্দাদের “প্রকৃত কাশ্মীরি নন” বলে মন্তব্য করেন। এই বক্তব্যে পিওকের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, শুরুতে মূল্যবৃদ্ধি, খাদ্যসংকট ও সুশাসনের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলেও এখন প্রশাসন এটিকে নিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে দেখছে। সর্দার আমান খান-সহ একাধিক আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়েছে, যা বড় ধরনের ধরপাকড়ের আশঙ্কা বাড়িয়েছে(POK Islamabad)।
আরও পড়ুন: Greece UPI: গ্রিসেও চালু ভারতের UPI, বিদেশে ডিজিটাল পেমেন্টে নতুন মাইলফলক
এদিকে, জুনের শুরু থেকেই পিওকের বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবায় বিধিনিষেধ জারি রয়েছে বলে অভিযোগ। আন্দোলনকারীদের দাবি, বিক্ষোভের ছবি ও ভিডিও বাইরে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের অচলাবস্থায় স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়েছে, খাদ্যসংকট আরও প্রকট হয়েছে(POK Islamabad)। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত দুই সপ্তাহে সংঘর্ষে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে এই মৃত্যুর সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।



