Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ১৯৩৮ সালের পর এই প্রথম তারা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে কোনও ম্যাচ জিততে সক্ষম হলো, কাটল ৮৮ বছরের খরা (Switzerland)।
ফিরল ৮৮ বছর আগের ইতিহাস (Switzerland)
বিশ্বকাপের অভিযান কিছুটা হতাশা নিয়ে শুরু করেছিল সুইৎজারল্যান্ড। কাতারের বিরুদ্ধে জয়ের কাছে গিয়েও সন্তুষ্ট থাকতে হয় পয়েন্ট ভাগ করে নিয়ে। এরপর দলের মধ্যে আসে অভূতপূর্ব পরিবর্তন। নতুন করে গেল জেগে ওঠেন সুইসরা। টানা তিন ম্যাচে জয়, আটটি গোল করে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় তাঁরা। আলজেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে পরের পর্বে যাওয়ার পাশাপাশি ১৯৩৮ সালের পর প্রথম বার বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে সুইৎজারল্যান্ড। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম বারের মত টানা তিনটি ম্যাচ জয় পেল তাঁরা (Switzerland)।
সুইৎজারল্যান্ড দলের হয়ে যে তরুণ তারকা সবথেকে বেশি নজর কেড়েছেন তাঁর নাম হল জোহান মানজাম্বি। বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই তিনি চর্চায় রয়েছেন। তিনি জায়গা করে নিয়েছেন ফিফার সেরা আক্রমণাত্মক প্লেয়ারদের তালিকায়। যেখানে নাম রয়েছে এমবাপে, হালান্ড, হ্যারি কেনদের মত তারকাদের। আলজেরিয়ার দুর্বলতা নিখুঁত ভাবে কাজে লাগিয়েছেন তিনি।
ম্যাচের শুরুর ১০ মিনিটে রুবেন ভার্গাসের পাস পেয়ে মাঝমাঠ থেকে দারুণ দৌড় শুরু করেন মানজাম্বি। আলজিরিয়ার ডিফেন্ডার আইসা মান্দিকে ঘোল খাইয়ে নিখুঁত ক্রস তোলেন। সেই বল জালে জড়িয়ে দলের হয়ে গোল করতে কোনও ভুল করেননি ব্রিল এম্বোলো। তবে এই গোলের নেপথ্য নায়ক ২০ বছরের মানজাম্বি। তিনি বারবার নিজের আক্রমণ, গতি দিয়ে আলজেরিয়ার রক্ষণকে চাপে ফেলেছেন (Switzerland)।

আরও পড়ুন: Portugal vs Croatia: ‘রাতের সব তারাই আছে দিনের আলোর গভীরে’, নাটকীয় ম্যাচে জয় পর্তুগালের
প্রথম অর্ধে পিছিয়ে পড়ার দ্বিতীয়ার্ধের খেলার শুরুতেই আবার ধাক্কা খায় আলজেরিয়া। বিরতির মাত্র ৪৮ সেকেন্ড পরেই নিজেদের রক্ষণ থেকে ক্লিয়ার করা বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুর্দান্ত দক্ষতার সঙ্গে গোল করেন দান এনদোয়ে। আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুক জিদান বল স্পর্শ করলেও সেই বল প্রতিহত করতে পারেননি। এরপর ম্যাচের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ছিল সুইসদের দখলে। সহজেই শেষ ষোলোয় পৌঁছে যায় সুইৎজারল্যান্ড (Switzerland)।
আলজিরিয়া ম্যাচে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতেই পারেনি। শুরুতেই হৌসেম আওয়ার একটি ভাল সুযোগ হাতছাড়া করেন। পরে রিয়াদ মাহরেজের তৈরি করা কয়েকটি আক্রমণও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় দলটি। ফলে সুইৎজারল্যান্ডের গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলকে খুব বেশি পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি। সুইস রক্ষণভাগও ছিল যথেষ্ট সংগঠিত এবং আত্মবিশ্বাসী।
আলজিরিয়া ম্যাচে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতেই পারেনি। শুরুতেই হৌসেম আওয়ার একটি ভাল সুযোগ হাতছাড়া করেন। পরে রিয়াদ মাহরেজের তৈরি করা কয়েকটি আক্রমণও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় দলটি। ফলে সুইৎজারল্যান্ডের গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলকে খুব বেশি পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি। সুইস রক্ষণভাগও ছিল যথেষ্ট সংগঠিত এবং আত্মবিশ্বাসী।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই সুইসদের বাঁধ ভাঙা আনন্দ ছিল দেখার মত। ৮৮ বছরের পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জয় তুলে ইতিহাস গড়লেন তারা। এবার এরপরের পর্বে যাওয়ার সামনে থাকে কলম্বিয়া আর ঘানার মধ্যে যে দল জিতবে সেই দল। বর্তমান ফর্ম এবং আত্মবিশ্বাস দেখে সুইসদের পিছিয়ে রাখার কোনও জায়গাই নেই (Switzerland)।


