Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণের আশায় কেউ (Diabetes Cure Temple) ওষুধের পাশাপাশি ভরসা রাখেন বিশ্বাসেও। সেই বিশ্বাস থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ ছুটে যান তামিলনাড়ুর তিরুভারুর কোইলভেন্নি গ্রামের প্রাচীন ভেন্নি করুম্বেশ্বরর শিবমন্দিরে। ভক্তদের একাংশের কাছে এই মন্দির ‘ডায়াবিটিস টেম্পল’ নামেও পরিচিত।
শিবের উদ্দেশ্যে চিনি নিবেদন (Diabetes Cure Temple)
স্থানীয় লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, ভক্তিভরে শিবের (Diabetes Cure Temple) উদ্দেশে চিনি নিবেদন করলে এবং বিশেষ আচার পালন করলে ডায়াবিটিসের কষ্ট কিছুটা লাঘব হতে পারে। মন্দিরে নিবেদিত সেই চিনি পরে প্রাঙ্গণে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা পিঁপড়েরা খেয়ে নেয়। প্রচলিত বিশ্বাস, প্রতীকীভাবে পিঁপড়ে যত চিনি গ্রহণ করে, রোগীর শরীরের ‘সুগার’-ও ততটাই কমে। যদিও এই ধারণার পক্ষে কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
নামের ইতিহাস
মন্দিরটির নামের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস। ‘করুম্বু’ শব্দের অর্থ আখ, তাই এখানে পূজিত শিব ‘করুম্বেশ্বরর’ বা আখের অধীশ্বর নামে পরিচিত। প্রাচীন কাহিনি অনুসারে, এই অঞ্চল একসময় আখ চাষের জন্য বিখ্যাত ছিল এবং সেই সূত্রেই দেবতার এই নামকরণ।
প্রায় ১,৩০০ বছরের পুরনো এই মন্দির দক্ষিণ ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শৈব তীর্থ। এটি ২৭৫টি ‘পাডাল পেত্র স্থলম’-এর অন্তর্ভুক্ত, যেগুলির মাহাত্ম্য প্রাচীন তামিল শৈব ভক্তিগীতিতে উল্লেখ রয়েছে।
আরও পড়ুন: Shani Dev: শনির আশীর্বাদে অর্থ ও সাফল্যের যোগ, লাভবান হতে পারেন এই তিন রাশি
তবে চিকিৎসকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, ডায়াবিটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগ। নিয়মিত চিকিৎসা, ওষুধ, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই এই রোগ নিয়ন্ত্রণের স্বীকৃত উপায়। তাই ধর্মীয় বিশ্বাস মানসিক শক্তি জোগাতে পারে, কিন্তু তা কখনও চিকিৎসার বিকল্প নয়।


