Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পলাতক হিরে ব্যবসায়ী নীরব মোদিকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে(Nirav Modi Extradition)। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতে (ECHR) শেষ আইনি চ্যালেঞ্জেও তিনি ব্যর্থ হওয়ায় প্রত্যর্পণের পথে আর বড় কোনও আইনি বাধা নেই।
প্রত্যর্পণের পথে আইনি বাধা নেই (Nirav Modi Extradition)
যুক্তরাজ্যের আদালতগুলিতে সব ধরনের আপিল খারিজ হওয়ার পর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে নীরব মোদি ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের দ্বারস্থ হন। তবে সেখান থেকেও তিনি কোনও স্বস্তি পাননি। ফলে প্রত্যর্পণ ঠেকানোর মতো আর কোনও আইনি পথ তাঁর হাতে নেই বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইনি প্রক্রিয়া কার্যত শেষ হওয়ায় নীরব মোদিকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু করেছে যুক্তরাজ্য সরকার।
২০১৯ সালের মার্চে গ্রেফতারের পর থেকে লন্ডনের এইচএমপি ওয়ান্ডসওয়ার্থ কারাগারে বন্দি রয়েছেন নীরব মোদি। পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক (PNB) জালিয়াতি এবং সংশ্লিষ্ট অর্থপাচার মামলায় তাঁর প্রত্যর্পণ চায় ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরো (CBI) ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)।
২০২১ সালের এপ্রিলে তৎকালীন ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রীতি প্যাটেল প্রত্যর্পণ নির্দেশে সই করার পর থেকে একাধিক আপিল ও জামিনের আবেদন করেছিলেন নীরব মোদি। কিন্তু প্রতিটি আবেদনই যুক্তরাজ্যের আদালত খারিজ করে দেয়। চলতি বছরের মার্চে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারতে ফিরলে নির্যাতনের ঝুঁকি রয়েছে। সেই যুক্তিও আদালতে গ্রহণযোগ্য হয়নি(Nirav Modi Extradition)।
আরও পড়ুন: Pahalgam Hafiz Saeed: পহেলগাম হামলায় NIA-র সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে অভিযুক্ত হাফিজ সইদ
প্রত্যর্পণ মামলার বাইরে যুক্তরাজ্যে একটি পৃথক বাণিজ্যিক মামলায়ও বড় ধাক্কা খেয়েছেন নীরব মোদি(Nirav Modi Extradition)। লন্ডনের হাইকোর্ট তাঁকে ব্যাংক অব ইন্ডিয়াকে ১ কোটি ১৫ লক্ষ মার্কিন ডলারেরও বেশি, সঙ্গে সুদ পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে। এই মামলা দুবাইভিত্তিক ফায়ারস্টার ডায়মন্ড এফজেডই-কে দেওয়া ঋণের ব্যক্তিগত গ্যারান্টি সংক্রান্ত। তবে ব্যাংক অব ইন্ডিয়া স্পষ্ট করেছে, এই দেওয়ানি মামলা পিএনবি জালিয়াতির ফৌজদারি মামলার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষ হলে নীরব মোদির প্রত্যর্পণ ভারতের অন্যতম বহুচর্চিত আর্থিক জালিয়াতি মামলায় বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হবে।



