Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চিনের পূর্বাঞ্চলের ফুজিয়ান প্রদেশে একটি জুতো কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে(China Fire)। জিনজিয়াং শহরের হুইতেং শুজ (Huiteng Shoes) কারখানায় আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের পরপরই বহু শ্রমিক বিল্ডিংয়ে আটকে পড়েছেন বলে খবর পাওয়া যায়। উদ্ধারকাজ এখনও অব্যাহত রয়েছে।
ফুজিয়ান প্রদেশে জুতো কারখানায় ভয়াবহ আগুন (China Fire)
চিনের জরুরি ব্যবস্থা মন্ত্রক জানিয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৮৩ জন দমকল ও উদ্ধারকর্মী এবং ৩৫টি জরুরি যান মোতায়েন করা হয়েছে। আগুনে হতাহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলেও এখন পর্যন্ত কতজন নিহত বা আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এই ঘটনায় “প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি” হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি দ্রুত উদ্ধার অভিযান, আহতদের চিকিৎসা এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
চিনা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির মাধ্যমে এক স্থানীয় কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে কারখানার নিচতলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ভবনের ভেতরে বিপুল পরিমাণ জুতা তৈরির দাহ্য কাঁচামাল মজুত থাকায় আগুন খুব দ্রুত পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে।
চলতি বছর চিনে একাধিক শিল্প কারখানায় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যাতে বহু মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। প্রতিটি দুর্ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের ঘোষণা দিলেও শিল্পাঞ্চলগুলোতে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা থামানো যায়নি।
ফুজিয়ানের এই অগ্নিকাণ্ডের পর স্থানীয় প্রশাসন উদ্ধার অভিযানের পাশাপাশি আগুন লাগার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে। নিহত ও আহতের প্রকৃত সংখ্যা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম(China Fire)।
আরও পড়ুন: China Zoo: চিনে ভয়াবহ বন্যা: মৃত ৩৯, গ্রামজুড়ে শত শত কোবরা, চিড়িয়াখানা থেকে পালাল জেব্রা-আলপাকা
বিশ্লেষকদের মতে, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর চিনের উৎপাদন খাতে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং শিল্প কারখানায় নিরাপত্তা বিধি বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠবে(China Fire)। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা রোধে আরও কঠোর নজরদারির উপর জোর বাড়তে পারে।



