Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল জয়ের পর আর্জেন্টিনার (Argentina FIFA) ফুটবলারদের মাঠে ফকল্যান্ড ব্যানার প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে বিতর্কের শুরু হয়েছে। এই ঘটনায় আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। ইউকে প্রধানম্নত্রীর পক্ষ থেকে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্তের আহ্বান জানানোর পর ফিফা তাদের অবস্থানের কথা জানিয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট (Argentina FIFA)
বুধবার আটলান্টায় ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করার পর আর্জেন্টিনার (Argentina FIFA) খেলোয়াড়রা মাঠের গ্যালারি থেকে একটি ব্যানার সংগ্রহ করেন। ব্যানারটিতে লেখা ছিল, ‘লাস মালভিনাস সন আরহেনতিনাস’, যার বাংলা অর্থ হলো, ‘মালভিনাস (ফকল্যান্ড) দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’। এই ব্যানারটি মূলত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপর আর্জেন্টিনার দীর্ঘদিনের সার্বভৌমত্বের দাবির প্রতীক হিসেবে প্রদর্শিত হয়।

ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে ইউকে ও আর্জেন্টিনার মধ্যে ঐতিহাসিক বিরোধ রয়েছে। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপপুঞ্জের দখল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়, যা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এই হার আর্জেন্টাইনদের জন্য একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়।
আরও পড়ুন: WC Final Argentina vs Spain: মেটলাইফের নাট্যমঞ্চে ভিনচিচ, রেফারি নাকি ভাগ্যবিধাতা!
ফিফার অবস্থান (Argentina FIFA)
বিষয়টি নিয়ে ইউকে সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করলে ফিফা দ্রুত নড়েচড়ে বসে। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে ফিফা জানিয়েছে, ‘ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি বর্তমানে ম্যাচের প্রতিবেদনগুলো মূল্যায়ন করছে এবং ফিফার শৃঙ্খলাবিধির ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সম্ভাব্য পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট পরিস্থিতি বিবেচনা করছে।’
সম্ভাব্য শাস্তি (Argentina FIFA)
আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ডের কঠোর নির্দেশিকা অনুযায়ী, ফুটবল মাঠে খেলোয়াড়দের কোনও ধরনের রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা ব্যক্তিগত স্লোগান, বক্তব্য বা ছবি প্রদর্শন নিষিদ্ধ। এই নিয়ম মেনেই ম্যাচ শুরুর আগে ফিফা ফকল্যান্ডের পতাকা মাঠে প্রদর্শনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। বর্তমানে পুরো বিষয়টি ফিফার শৃঙ্খলা কমিটির পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। তদন্ত শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ফিফা।
আইন অমান্য করার দায়ে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি যে ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারে:
* আর্থিক জরিমানা: সাধারণত এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে ৫ হাজার থেকে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।
* নিষিদ্ধাদেশ: জড়িত খেলোয়াড়দের ওপর নির্দিষ্ট মেয়াদে ম্যাচ বা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে।



