Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ১৯৫৮ সালে সারা বিশ্ব দেখেছিল এক বিস্ময় বালকের উত্থান (Pele Jersey)। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি নিজের পায়ের জাদুতে মুগ্ধ করেছিলেন গোটা বিশ্বকে। তিনি পেলে। সেই বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে ব্রাজিলের এই কিংবদন্তি ফুটবলার যে জার্সিটি পরেছিলেন, দীর্ঘ সাত দশক পর তা নিলামে উঠতেই তৈরি হলো ইতিহাস। ৪.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে এই অমূল্য স্মারকটি। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৮ কোটি টাকা।
পেলের বিশ্ব রেকর্ড (Pele Jersey)
১৯৫৮ সালের সেই বিশ্বকাপে পেলে মাত্র ৪টি ম্যাচ খেলে ৬টি গোল করেছিলেন। কোয়ার্টার ফাইনালে ওয়েলসের বিরুদ্ধে একটি, সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক (Pele Jersey) এবং ফাইনালে আয়োজক দেশ সুইডেনের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে তিনি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিলেন। বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হিসেবে তার গড়া সেই রেকর্ড আজও অক্ষুণ্ণ।
পেলের জার্সির নিলাম (Pele Jersey)
দীর্ঘদিন বাদে আয়োজিত এই নিলামে পাঁচজন আগ্রহী ক্রেতা মোট ১০ বার দর হাঁকিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত রেকর্ড এই দামে জার্সিটি বিক্রি হয়, যা পেলের ফুটবল স্মারকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। উল্লেখ্য, ২০০৪ সালেও পেলের ওই বিশ্বকাপের একটি জার্সি নিলামে উঠেছিল, যা তখন প্রায় ১ কোটি টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই স্মারকের গুরুত্ব যে কতটা বেড়েছে, তা এই বিশাল দামই প্রমাণ করে।

দামী জার্সি (Pele Jersey)
ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে দামী জার্সির তালিকায় পেলের এই জার্সিটি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে বিক্রি হওয়া জার্সিটি হলো দিয়েগো মারাদোনার। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে মারাদোনার সেই ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ ম্যাচের জার্সি ২০২২ সালে ৯.৩ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছিল। যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯০ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন: Match Fixing: গ্রেফতার বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার
জার্সির ইতিহাস (Pele Jersey)
আধুনিক ফুটবল যুগেও কিংবদন্তিদের ব্যবহৃত এই স্মারকগুলো কেবল কাপড় নয়, বরং ইতিহাসের অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপের জার্সিটি নিলামে রেকর্ড দামে বিক্রি হওয়ার ঘটনা আবারও প্রমাণ করল যে, কিংবদন্তিদের প্রভাব সময়ের গণ্ডি পেরিয়ে আজও কতটা উজ্জ্বল।



