Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আধার কার্ডের হিস্ট্রি আপডেট নিয়ে কড়া নীতি নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (CAB Mukesh)। তার জন্য সমস্যায় বাংলা ক্রিকেট। এক অনিশ্চয়তার মেঘ তৈরি হয়েছিল সিএবির আকাশে। মুকেশ কুমার, শাহবাজ আহমেদ এবং আকাশ দীপদের মতো তারকাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উঠছিল প্রশ্ন। বিসিসিআইয়ের সাম্প্রতিক বৈঠক এবং সিএবির স্পষ্ট বার্তার পর সেই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটেছে।
বোর্ডের নতুন নিয়ম (CAB Mukesh)
সোমবার বিসিসিআই সমস্ত রাজ্য সংস্থাকে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসে। সেখানে বোর্ডের তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয় যে গত এক বছরে যে সমস্ত ক্রিকেটারের আধার কার্ডের হিস্ট্রি আপডেট হয়েছে, তাঁরা রাজ্য দলের হয়ে খেলতে পারবেন না। তবে স্বস্তির বিষয় হল, আন্তঃরাজ্য ট্রান্সফারের মেয়াদ বাড়িয়ে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মুকেশ, আকাশ ও শাহবাজের মতো তারকারা গত এক দশক ধরে বাংলার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন।
মুকেশ কুমারকে নিয়ে জল্পনা (CAB Mukesh)
এর আগে গুঞ্জন রটেছিল যে, মুকেশ কুমার হয়তো বাংলা ছেড়ে বিহারে ডিএসপি হিসেবে যোগ দিতে পারেন এবং বাংলা ছেড়ে চলে যেতে পারেন। তবে এই আশঙ্কার কোনো ভিত্তি নেই। বর্তমানে তিনি পুরোদমে বাংলা দলের সঙ্গে প্র্যাকটিস শুরু করে দিয়েছেন। তাঁর ঘনিষ্ঠমহল সূত্রে জানা গেছে, মুকেশের কাছে ক্রিকেটের মূল্য চাকরির চেয়ে অনেক বেশি। যে রাজ্য তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ার গড়তে সাহায্য করেছে, সেই রাজ্য ছেড়ে অন্য কোথাও খেলার কথা তিনি ভাবতেই পারেন না। সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও আগেই নিশ্চিত করেছেন যে, মুকেশ ও আকাশ দীপের মতো খেলোয়াড়েরা বাংলার হয়েই খেলবেন।
আরও পড়ুন: Brazil vs India: ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারতের বিরুদ্ধে খেলতে আসছে ব্রাজিল!
ক্লাব ক্রিকেটেও কঠোর সিএবি (CAB Mukesh)
ভিন রাজ্যের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রে আরও বেশি কঠোর অবস্থান নিয়েছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (CAB Mukesh)। অতীতে ক্লাব ক্রিকেটে বহিরাগতরা ঠিকানা পরিবর্তন করে স্থানীয় ক্রিকেটার হিসেবে খেলছেন বলে নানা অভিযোগ উঠত। এই বিষয়ে সিএবি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ২০২২ সালের পর যে সমস্ত ক্রিকেটারের আধার হিস্ট্রি আপডেট হয়েছে (অর্থাৎ ভিন রাজ্যের ঠিকানা পরিবর্তন করে স্থানীয় ঠিকানা করা হয়েছে), তাঁদের আর স্থানীয় ক্রিকেটার হিসেবে ক্লাব ক্রিকেটে খেলার অনুমতি দেওয়া হবে না। এর ফলে স্থানীয় তরুণ ক্রিকেটারদের উঠে আসার সুযোগ আরও বাড়বে।
অনেকেই মনে করছেন, এই নিয়মের ফলে হয়তো সাময়িকভাবে স্থানীয় ক্রিকেটের মান কিছুটা প্রভাবিত হতে পারে। তবে দীর্ঘমেয়াদের মাধ্যমে বাংলা ক্রিকেটের ভিত্তিটুকুই আরও বেশি শক্ত হবে।



